বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > সৃজিতের সঙ্গে ঝামেলা মেটানোর উপায় নিজেই বাতলালেন শিলাজিৎ! শুনলে অবাক হবেন
সৃজিতের সঙ্গে ঝামেলা মেটানোর উপায় নিজেই বাতলালেন শিলাজিৎ।
সৃজিতের সঙ্গে ঝামেলা মেটানোর উপায় নিজেই বাতলালেন শিলাজিৎ।

সৃজিতের সঙ্গে ঝামেলা মেটানোর উপায় নিজেই বাতলালেন শিলাজিৎ! শুনলে অবাক হবেন

  • কয়েক মাস আগে প্রকাশ্যে শুরু হয়েছিল সৃজিত-শিলাজিৎ তরজা।এখন সেই রাগ রূপান্তরিত হয়েছে অভিমানে। এবার শিলাজিৎ নিজেই জানালেন এই বিশেষ একটি কাজ করলে তবেই মিটবে তাঁর সঙ্গে সৃজিতের সমস্ত ঝামেলা।

কয়েক মাস আগে প্রকাশ্যে শুরু হয়েছিল সৃজিত-শিলাজিৎ তরজা। ঝামেলার সূত্রপাত গত জুন মাসে মুক্তি পাওয়া সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নতুন ছবি ‘এক্স ইক্যুয়ালস টু প্রেম’-এর পোস্টার। ছবির নাম নিয়ে দারুণ রাগ গিয়েছিল গায়ক-অভিনেতা শিলাজিৎ মজুমদারের। কোনওরকম রাখঢাক না রেখেই নিজের ক্ষোভ সোশ্যাল মিডিয়ায় উগরে দিয়েছিলেন শিলাজিৎ। তবে এখন সেই রাগ রূপান্তরিত হয়েছে অভিমানে। এবার শিলাজিৎ নিজেই জানালেন এই বিশেষ একটি কাজ করলে তবেই মিটবে তাঁর সঙ্গে সৃজিতের সমস্ত ঝামেলা।

জুন মাসে সৃজিতের নতুন ছবি ‘এক্স ইক্যুয়ালস টু প্রেম’-এর পোস্টার পোস্টার নজরে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ বড়সড় একটি পোস্ট করেন শিলাজিৎ। ছবির নাম কে কেন্দ্র করে উগরে দেন তাঁর ক্ষোভ। আসলে আর কিছুই না ২১ বছর আগে এই নামেই মুক্তি পেয়েছিল গায়কের গানের অ্যালবাম। পোস্টেই তিনি জানিয়েছিলেন বহু কাঠ খড় পুড়িয়ে কষ্ট করে এই নামের অনুমতি তিনি আদায় করেছিলেন। সেই নামটা যে এখনও লোকে 'খাচ্ছে' দেখে অদ্ভুত তৃপ্তি পাচ্ছেন তিনি।

অন্যদিকে, আনন্দবাজারকে সৃজিত জানিয়েছিলেন যে তিনি তাঁর এই ছবির নাম ইমপা (ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন)-র মাধ্যমে পাশ করিয়েছেন ,সেখান থেকে কোনওরকমের আপত্তির সম্মুখীন হননি তিনি। পরিচালকের যুক্তি, 'এক্স ইক্যুয়ালস টু প্রেম' তো আদতে একটি শব্দবন্ধ। বাংলা শব্দের উপর কারও স্বত্ব নেই'।যদিও শিলাজিতের ব্যবহারে তাঁর যে খারাপ লেগেছে সেকথাও লুকোননি 'জাতিস্মর' এর পরিচালক। তাঁর কথাতেই জানা যায় শিলাজিৎ-কে ব্যক্তিগতভাবে তিনি চেনেন ২০০৭ সাল থেকে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় এসব না লিখে যদি তাঁকেই সরাসরি বলতেন গায়ক, তাহলে তাঁর নিজেরই ভালো লাগত। এমনকি গালিগালাজ করলেও কিছু মনে করতেন না তিনি। বক্তব্যের শেষে সৃজিতের সংযোজন, 'আমি তো ফোনও করেছিলাম ওঁকে। ফোন না তুললে কীভাবে নিজের বক্তব্য জানাবো?'

এ প্রসঙ্গে শিলাজিৎ অবশ্য বলেছেন তিনি তখন ইচ্ছে করেই সৃজিতের ফোন তোলেননি। ফোন না তোলার দরুণ গায়কের নিজেরও খারাপ লেগেছিল, কিন্তু এছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না তাঁর। 'আমার দাবিটা বোঝানোর দরকার ছিল ওকে। সংবাদমাধ্যমের সামনে ঘোষণা করার আগে আমাকে এক বার বলার উচিত ছিল সৃজিতের। এটুকুই'। যদিও এর থেকে যে তাঁর আর বেশি কোনও দাবি নেই সেব্যাপারেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন শিলাজিৎ।

তবে হ্যাঁ, এই তরজা মিটতে পারে। তার জন্য শুধুমাত্র একটি পথই খোলা রয়েছে। তা হল তাঁকে নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতে হবে সৃজিতকে। যে সে খাবার নয়, একেবারে খাস বাংলাদেশী রান্নার সব পদ। আর সে রান্না করতে হবে সৃজিত-পত্নী মিথিলাকে। আর হ্যাঁ, যেদিন তাঁকে নিমন্ত্রণ করা হবে সেদিন অন্য কাউকে ডাকা চলবে না। এক এবং একমাত্র তাঁকেই খাওয়াতে হবে। আর কাউকে না।এই দাবি যদি সৃজিত মেনে নেয়, তাহলেই সৃজিতের প্রতি তাঁর জমে থাকা সমস্ত অভিমান গেলে জল হয়ে যাবে।

এ প্রসঙ্গে আরও একটি মজার ঘটনা জানিয়েছেন 'এক্স ইক্যুয়ালস টু প্রেম' এর গায়ক। সৃজিত নাকি আগেও নানাভাবে শিলাজিতের মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছেন। তবে তাতে ভাবি ভোলেননি। শেষপর্যন্ত নিজের বাড়িতে নিমন্ত্রণও করেছিলেন শিলাজিৎ-কে। নিজের হাতে রেঁধেও ছিলেন মিথিলা। তবে অনিবার্য কারণবশত সেদিনের নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে পারেননি 'ঝিন্টি'-র স্রষ্টা। সেদিন নাকি 'চতুষ্কোণ' এর পরিচালকের বাড়িতে শ্রীজাত সহ আরও বেশ কয়েকজন নিমন্ত্রিত ছিলেন। আনন্দবাজারকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে মজার করেই গায়ক বলেন, 'আমার কল্যাণে ওখানে অনেকে গিয়েছিল। তারা খেয়েছে। এবার আমাকে যদি আলাদা করে না খাওয়ায় থামলে কিন্তু এই ঝামেলা মিটবে না'।

সৃজিত কী শুনছেন?

বন্ধ করুন