বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > মেদ ঝরিয়ে, পেশী ফুলিয়ে হাজির রাহুল বৈদ্য, টানটান চেহারার জন্য দিলেন এই তিন টিপস

মেদ ঝরিয়ে, পেশী ফুলিয়ে হাজির রাহুল বৈদ্য, টানটান চেহারার জন্য দিলেন এই তিন টিপস

একেবারে নির্মেদ, টানটান চেহারার ক্যামেরায় ধরা দিলেন রাহুল বৈদ্য।

বাড়তি মেদ ঝরিয়ে রীতিমতো পেশী ফুলিয়ে একেবারে নির্মেদ, টানটান চেহারার এবার ক্যামেরায় ধরা দিলেন রাহুল বৈদ্য।

ঈষৎ ভারি চেহা্রা, মিষ্টি হাসির সঙ্গে বেশ ফোলা দু'গাল। রাহুল বৈদ্য বলতে এতদিন তাঁর এই রূপ-ই ভেসে উঠত ফ্যানদের চোখে। কিন্তু সেসব আজ অতীত। বাড়তি মেদ ঝরিয়ে রীতিমতো পেশী ফুলিয়ে একেবারে নির্মেদ, টানটান চেহারার এবার ক্যামেরায় ধরা দিলেন রাহুল। স্বভাবতই, এই গায়কের এহেন নতুন লুক দেখে হাঁ নেটপাড়া।

নিজের এই ফিটনেস অবতারের প্রসঙ্গে হিন্দুস্তান টাইমস-কে রাহুল জানিয়েছেন যে বহুদিন ধরেই নিজের লুক বিলকুল বদলে ফেলার পরিকল্পনা আঁটছিলেন তিনি। ' নিজের বডি ট্রান্সফর্মেশন-এর জন্য এটাই সেরা সময় বুঝেছিলাম। তারপরেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। বহুদিন ধরেই নিজেকে এরকম অবতারে দেখতে চাইছিলাম। শেষমেশ গত বছরের অক্টোবর মাস নিজেকেই বলেছিলাম, যথেষ্ট হয়েছে। এবার ফিট হওয়ার সময় এসেছে। আর এতটাই মন দিয়ে শরীরচর্চা করব যাতে নিজের চেহারা দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাই!'

তা কীভাবে পেলেন এই চেহারা? রাহুলের জবাব, 'গত চার মাস ধরে কড়া ডায়েট মেনে চলছি। নিয়মিত শরীরচর্চা করেছি। সব নিয়ম মেনে চলেছি। কোনও ফাঁকি দিইনি। এই তিনটি ব্যাপার অনুসরণ করার ফলেই আজ এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি।' তবে একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, 'জানেন তো আমার কিন্তু শারীরিক ওজন দুর্দান্ত কিছু কমেনি। মানে, দু-তিন কেজি হয়ত কমেছে। আমি শরীরের সব বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ফেলেছি, তাই এত ফিট লাগছে।' আর সিক্স প্যাকস অ্যাবস? এক্ষেত্রেও ৩৪ বছর বয়সী এই গায়কের সপাটে জবাব, 'আমার সিক্স প্যাকস অ্যাবস নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই। অত শখও নেই।সিক্স প্যাকস অ্যাবস নিয়ে পড়ে থাকা বড্ড ওল্ড ফ্যাশন। আমি রোগ হতে চেয়েছিলাম, ফিট হতে চেয়েছিলাম, এটাই।

তাহলে কি এই চেহারা পাওয়ার জন্য কোনও 'শর্টকাট' বেছে নিয়েছেন রাহুল? শোনামাত্রই তাঁর জবাব, 'অতি করলেই কিছুদিন পর সেই ঝরে যাওয়া মেডিগুলো ফের জমা হতো শরীরে। শরীরচর্চায় শর্টকাট পদ্ধতি অনুসরণ করলে কোনও লাভ হয় না বলেই বিশ্বাস আমার।' একেবারে শেষে তাঁর সংযোজন, 'শরীরচর্চা ব্যাপারটি কোনও কড়া রুটিনে না বেঁধে আমি করি কী সপ্তাহে দু'দিন ওয়েট ট্রেনিং করি, একদিন কার্ডিয়ো করি। বাকি তিনদিনের একদিন ক্রিকেট খেলি ব্যাস! আসলে প্রতিদিন জিমে গেলে হয়ত একঘেয়ে লাগবে। তাই এই পদ্ধতি অনুসরণ করেছি।'

বন্ধ করুন