বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘মনে ভয় নিয়ে প্রথমদিন বুদ্ধবাবুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম’: শ্রীলেখা মিত্র
বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন শ্রীলেখা মিত্র।
বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন শ্রীলেখা মিত্র।

‘মনে ভয় নিয়ে প্রথমদিন বুদ্ধবাবুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম’: শ্রীলেখা মিত্র

‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ ছবিতে আয়েশার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। 

বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের সঙ্গে ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ ছবিতে কাজ করছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। স্বভাবতই খুব কাছ থেকে দেখেছেন তাঁকে। প্রবাদপ্রতীম পরিচালকের কাছ থেকে শিখেছেন অনেক কিছু। আর সবার মতো তাঁর অকাল প্রয়ানে শোকস্তব্ধ অভিনেত্রী। হিন্দুস্তান টাইমসের পক্ষ থেকে ফোন করা হলে আরও একবার নেড়ে দেখলেন সেই স্মৃতির পাতা। জানালেন পুরনো সেই দিনের কথা। 

শ্রীলেখা জানালেন, ‘ছবির জন্য তিনি যখন আমাকে ফোন করেছিলেন তখন আমি সদ্য পা রেখেছি অভিনয় জগতে। জানি না, কার কাছ থেকে আমার নম্বর পেয়েছিলেন বা আমার কথা শুনেছিলেন। কিন্তু, আমি সেই ফোন পেয়ে বেশ অবাক হয়েছিলাম। মনে একটা ভয় নিয়ে প্রথমদিন দেখা করতে গিয়েছিলাম। তখন তো পরিচালকদের সঙ্গে এরকম বন্ধুর মতো সম্পর্ক হত না। উনি আমার কাছে তাই একজন শিক্ষক। যিনি আমায় অভিনয়ের অনেক কিছু শিখিয়েছেন। কেরিয়ারের প্রথম দিকে বুদ্ধবাবুর মতো একজন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করা অবশ্যই একটা টার্নিং পয়েন্ট।’

‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ ছবির একটি দৃশ্য।
‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ ছবির একটি দৃশ্য।

‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ ছবিতে আয়েশার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শ্রীলেখা। রেঁকির জন্য বা পরেও বেশ কয়েকবার যেতে হয়েছিল রেড লাইট অঞ্চল হিসেবে পরিচিত সোনাগাছিতে। সেখানকার যৌনকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাওয়া, তাঁদের জীবন সংগ্রামের সঙ্গে পরিচিত হওয়াও তাঁর কাছে একটা আলাদা অভিজ্ঞতা ছিল বলেই জানান শ্রীলেখা। বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে বাংলা ছবি কী হারিয়েছে তা নিয়ে আর নতুন করে কিছু বলার নেই। শুধু বলব অনেক কিছু শিখেছি ওঁর থেকে।’

২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ জিতেছিল জাতীয় পুরস্কারের বিভাগে সেরা ছবির সম্মান। শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে ‘আনন্দলোক পুরস্কার’ পেয়েছিলেন বুদ্ধবাবু। ছবি জিতে নিয়েছিল ‘বেস্ট এশিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’-ও।

বন্ধ করুন