বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ডেটিং করতেন জ্যাকলিন-সুকেশ চন্দ্রশেখর! তথ্য মিথ্যে, দাবি নায়িকার
 জ্য়াকলিন ফার্নান্ডেজ (ANI Photo)

ডেটিং করতেন জ্যাকলিন-সুকেশ চন্দ্রশেখর! তথ্য মিথ্যে, দাবি নায়িকার

  • জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের সঙ্গে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সম্পর্ক ছিল, যার বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপ মামলা রয়েছে সুরেশের আইনজীবী অনন্ত মালিক দাবি করেছেন। শনিবার অভিনেত্রীর মুখপাত্র দাবি করেন, সম্পূর্ণ মিথ্যে তথ্য।

২০০ কোটি টাকার তোলাবাজির মামলায় নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী জ্য়াকলিন ফার্নান্ডেজের। সেই সূত্রেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে সমন পাঠানো হয়েছিল নায়িকাকে। যদিও এই মামলার অভিযুক্ত নন বলিউড সুন্দরী। ঠকবাজ সুকেশ চন্দ্রশেখর এবং তাঁর অভিনেত্রী স্ত্রী লীনা পালের বিরুদ্ধে দায়ের আর্থিক তছরুপের মামলায় সাক্ষী হিসাবে নাম রয়েছে জ্যাকলিনের।

অন্যদিকে, ২০০ কোটি টাকার তছরুপ মামলায় সাক্ষী হিসেবে অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের সঙ্গে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সম্পর্ক ছিল, যার বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপ মামলা রয়েছে সুরেশের আইনজীবী অনন্ত মালিক দাবি করেছেন। শনিবার অভিনেত্রীর মুখপাত্র দাবি করেন, সম্পূর্ণ মিথ্যে তথ্য। 

ইতিমধ্যে জ্যাকলিনকে দু'বার জেরা করেছে ইডি। সাক্ষী হিসাবে গত ৩০ অগস্ট ইডির দফতরে প্রায় ৫ ঘণ্টার ম্যারাথন জেরা করা হয়েছিল জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে। ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’-এর আওতায় ইডি আধিকারিকদের সামনে বয়ান নথিভুক্ত করেছিলেন জ্যাকলিন। এরপর গত ২৫শে সেপ্টেম্বর এবং ১৫, ১৬ অক্টোবর ইডির সমন এড়িয়ে গিয়েছিলেন নায়িকা। 

শনিবার ফের তাঁকে ইডির দিল্লির দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল, এদিন অনুপস্থিত থাকেন জ্যাকলিন। একই মামলায় ইডির তরফে সমন পাঠানো হয়েছিল অভিনেত্রী নোরা ফতেহি-কেও। গত বৃহস্পতিবারই নোরার বয়ান রেকর্ড করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। 

এক বিবৃতিতে অভিনেত্রীর মুখপাত্র বলেন, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজনকে সাক্ষী হিসেবে ডেকেছে ইডি। তাঁরা এর আগে বিবৃতি রেকর্ড করেছেন। আগামীদিনেও এজেন্সির সঙ্গে সহযোগিতা করবেন অভিনেত্রী। এমনকী এই মামলায় জড়িত দম্পতির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগও নস্যাৎ করে দিয়েছেন জ্যাকলিন।

প্রসঙ্গত, সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে মামলা করেন দিল্লির এক ব্যবসায়ী। অভিযোগ, এক বছরে তাঁর ২০০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে সুকেশ চন্দ্রশেখর। দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্স উইং-এ দায়ের মামলার ভিত্তিতেই এই তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, জালিয়াতি, তোলাবাজির মতো অভিযোগ রয়েছে সুকেশ চন্দ্রশেখর ও তাঁর স্ত্রী-র বিরুদ্ধে। 

তোলাবাজির মামলায় অভিযুক্ত জালিয়াত সুখেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি। জালিয়াতি করে সুকেশ চন্দ্রশেখর টাকা বিদেশে পাচার করত, ইনভেস্ট করেছে, এমনটাই প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে ইডি। দিল্লি পুলিশের তরফে আগেই সুকেশ এবং তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

 

বন্ধ করুন