বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > রেস্তোরাঁয় এঁটো টেবিল মুছতেন, তারপর ৩টি বাড়ির মালিক হন সুনীল শেট্টির বাবা

রেস্তোরাঁয় এঁটো টেবিল মুছতেন, তারপর ৩টি বাড়ির মালিক হন সুনীল শেট্টির বাবা

রেস্তোরাঁয় বেয়ারার কাজ করতেন সুনীল শেট্টির বাবা।

সুনীল শেট্টি ১৯৯২ সালে অভিনয়ের দুনিয়ায় পা রাখেন। তবে তাঁর আগে বাবার ক্যাটারিংয়ের ব্যবসায় কাজ করতেন। তাঁর বাবা একসময় কাজ করতেন রেস্তোরার বেয়ারা হিসেবে। মুছতেন এঁটো টেবিল। 

বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেতার তালিকায় নাম আসে সুনীল শেট্টির। শাহরুখ থেকে সলমন, সকলের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাঁর। মাত্র নয় বছর বয়সে ম্যাঙ্গালোরের বাড়ি থেকে পালিয়ে যান সুনীলের বাবা। চলে আসেন ম্যাঙ্গালোর থেকে মুম্বইতে। শুরু হয় অদম্য লড়াই। মায়ানগরীতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে কম স্ট্রাগল করেননি।

এক শো-র মঞ্চে তা খোলসা করেছিলেন সুনীল। তাঁকে বলতে শোনা যায়, প্রথমদিকে পেট চালাতে টেবিল মুছতেন তিনি। তারপর রেস্তোরাঁর ম্যানেজার আর তারপর মালিক হন। 

আরও পড়ুন: ‘হিন্দি বিগ বসের জন্য আমার কাছে অফার…’ Bigg Bos OTTতে থাকতে কলকাতা ছাড়ছেন কিরণ?

ভারতী সিং ও হর্ষ লিম্বাচিয়ার পডকাস্টে সুনীল শেট্টিকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার বাবা ছোটবেলায় পালিয়ে মুম্বই এসেছিলেন। তার বাবা ছিল না, তবে তার তিন বোন ছিল। তিনি নয় বছর বয়সে একটি দক্ষিণ ভারতীয় রেস্তোরাঁয় কাজ পেয়েছিলেন কারণ এটি আমাদের সম্প্রদায়ের বিষয়। আমরা একে অপরকে সমর্থন করি। তার প্রথম কাজ ছিল টেবিল পরিষ্কার করা। সে এত ছোট ছিল যে, তাকে টেবিলের চারটি চক্কর দিতে হত সব দিক পরিষ্কার করতে। তিনি চালের বস্তায় ঘুমাতেন।’

আরও পড়ুন: ‘যতই তুমি ভুল করো…’! মাকে ছাড়ায় অহনাকে শাপ-শাপান্ত নেটপাড়ার, কী বললেন দীপঙ্কর

‘তাঁর বস তিনটি বিল্ডিং কিনেছিলেন, এবং বাবাকে শেষ পর্যন্ত সেগুলি পরিচালনা করতে বলা হয়েছিল। বস অবসরে গেলে বাবা তিনটি বিল্ডিংই কিনে দেন। আজ, আমার কাছে এখনও ওই তিনটি বিল্ডিং আছে। আর সেখান থেকেই আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল।’, বলতে শোনা যায় সুনীল শেট্টিকে। 

আরও পড়ুন: ছোট্ট একটা পুতুল বসে চেয়ারে! প্রথমবার মেয়ের মুখ দেখালেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর

সুনীল শেট্টি ১৯৯২ সালে অভিনয়ের দুনিয়ায় পা রাখেন। তার আগে বেশকিছু বছর বাবার ক্যাটারিংয়ের ব্যবসায় কাজ করেছিলেন। নিজের বাবার স্মৃতিচারণায় সুনীলকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার বাবা খুব বিনয়ী মানুষ ছিলেন, কিন্তু কেউ যদি তার বাচ্চাদের বা তার কর্মীদের বিরুদ্ধে একটি কথা বলতেন, তবে তিনি সিংহে পরিণত হতেন। তাঁর মুখে একটাই লাইন থাকত, ‘আমি সব বিক্রি করে গ্রামে ফিরে যাব, কিন্তু অন্যায় সহ্য করব না’।’ ২০০৭ সালে পিতৃহারা হন সুনীল। 

অভিনেতা বর্তমানে মুম্বইতে মিসচিফ ডাইনিং বার এবং ক্লাব H2O এর মালিক। দুটি জায়গাই সফলভাবে চলছে। তিনি ক্যাফে H2O এর সঙ্গে সংযুক্ত ওয়াটার অ্যাডভেঞ্চার পার্কের সহ-মালিক। তিনি ২০১০ সালে মিসচিফ বার বন্ধ করে দেন এবং পরিবর্তে লিটল ইতালি নামে একটি নতুন রেস্তোরাঁ খোলেন। রেস্তোঁরাটি প্রথমে তার বাবার মালিকানাধীন ছিল যখন এটি একটি উডুপি রেস্তোরাঁ ছিল, সুনীল তারপর রেস্তোঁরাটিকে একটি বারে পরিবর্তিত করে এবং তারপরে তার বাবার আশীর্বাদে পুনরায় সেটিকে একই নামের রেস্তোরাঁয় পরিণত করেন। 

 

বায়োস্কোপ খবর

Latest News

বাতিল আয়কর আইনের এই ধারা, TDS-এর বোঝা থেকে মুক্ত মিউচুয়াল ফান্ড বিনিয়োগকারীরা শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে বিরাট জয় তৃণমূলের, প্রার্থী দিতেই ব্যর্থ সমবায় নির্বাচনে ২০ বছরের মেয়ের মৃত্যু ক্যানসারে! বাবার কোলে মাথা রেখেই হাউহাউ কান্না সোনু নিগমের হার্দিকের সঙ্গে অভিষেক নায়ারের মত পার্থক্য! ভারতীয় অনুশীলনে এক অন্য রকম পরিবেশ এক কেজি আলুর দাম ৫০ টাকা!‌ ধর্মঘট উঠবে কবে?‌ পথে আবার নামছে টাস্ক ফোর্স বিরাট-অনুষ্কার লন্ডনে থাকার জল্পনা, দম্পতির নতুন ছবি, অকায় বা ভামিকা আছে সঙ্গে? সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার, তা বলে আপনার আনন্দ যেন না কমে! পড়ুন দিনের সেরা ৫ জোকস ক্যানসারে আক্রান্ত বন্ধুর স্ত্রী, টাকা জোগাড় করতে বাইক চুরি, হতবাক পুলিশ রেকর্ড মুনাফা তেল কোম্পানিগুলির, ৩০০০০ কোটির সাহায্যের পরিকল্পনা বাতিল সরকারের Women's Asia Cup: সবাইকে সুযোগ..... নিজে ব্যাটিং না করার কারণ জানালেন স্মৃতি

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.