বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > সুশান্ত মামলা : CBI-এর নজরে সেল টাওয়ার লোকেশন ডেটা,সব সম্ভাবনাই খোলা রয়েছে
সুবিচারের অপেক্ষায় অনুরাগীরা (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
সুবিচারের অপেক্ষায় অনুরাগীরা (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

সুশান্ত মামলা : CBI-এর নজরে সেল টাওয়ার লোকেশন ডেটা,সব সম্ভাবনাই খোলা রয়েছে

  • সুশান্ত মৃত্যু মামলার তদন্তের ১৪৫ পরেও সব সম্ভাবনাই খোলা রাখল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে নামার পর তৃতীয়বার এই মৃত্যু নিয়ে বিবৃতি এল সিবিআইয়ের তরফে। 

শেষের মুখে ‘অভিশপ্ত’ ২০২০। এই বছরে যে ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের রহস্যমৃত্যু। অভিনেতার মৃত্যুর তদন্তভার তুলে নেওয়ার ১৪৫ দিনের মাথায় অবশেষে এই তদন্ত নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল সিবিআই। 

গত ১৪ জুন বান্দ্রার কার্টার রোডের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় সুশান্তের মরদেহ, এরপর সুপ্রিম কোর্টের  নির্দেশে অগস্ট মাসে এই মামলার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সেপ্টেম্বরের শেষে সংবাদ মাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায় AIIMS-এর ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রধান সুধীর গুপ্তার মেসেজ, সেখানে তিনি দাবি করেছেন খুন নয় আত্মহত্যাই করেছেন সুশান্ত। যদিও এই ঘটনার পরেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু অবশেষে নিজেদের অবস্থান জানাল সিবিআই।

সুশান্তের মৃত্যু তদন্তের গতিপ্রকৃতি জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফরতে চিঠি লিখেছেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রহ্মমণ্যম স্বামী। সেই চিঠির তিন পাতা জবাব দিল সিবিআই। তাঁরা জানায়, ‘সিবিআই অত্যন্ত পেশাদারভাবে মামলার তদন্ত চালাচ্ছে সবরকম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির কথা মাথায় রেখে। তদন্তের সময় সব সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই এগোনো হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনাকেই খারিজ করা হয়নি’। অর্থাত্ সুশান্তের খুনের জল্পনা কিন্তু জিইয়ে রাখল সিবিআই। 

অত্যাধুনিক ফরেনসিক ইকুপমেন্ট, মোবাইল সফটওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় ডেটা সংগ্রহের জন্য, ডিলিট হওয়ার তথ্য উদ্ধার ও সেগুলির বিশ্লেষণের জন্য। পাশাপাশি এই মামলার সঙ্গে জড়িত সমস্ত মোবাইল টাওয়ার লোকেশনের ডাম্ব ডেটাও (dump data) বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, জানানো হয়েছে সুব্রহ্মমণ্যম স্বামীকে লেখা চিঠিতে। 

'অভিযোগকারীর আনা অভিযোগ এবং পারিপার্শ্বিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রত্যক্ষদর্শীদের এবং অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই মামলায় বিস্তারিত তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই মামলার তদন্তকারী আধিকারিকরা ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত জায়গা- আলিগড়, ফরিদাবাদ, হায়দরাবাদ, মুম্বই, মানেশর এবং পাটনাকেও তদন্ত চালিয়েছেন', সেটিও উল্লেখ রয়েছে চিঠিতে।

সুশান্তের মৃত্যুর ৪০ দিনের মাথায় সুশান্তের বাবা কেকে সিং প্রয়াত অভিনেতার বান্ধবী রীহা চক্রবর্তী, তাঁর পরিবার (ভাই,বাবা,মা), ম্যানেজার শ্রুতি এবং সুশান্তের হাউজ ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডার বিরুদ্ধে অভিনেতাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনেন। পরবর্তীতে সুশান্তকে খুন করা হয়েছে বলেও কেকে সিংয়ের আইনজীবী বিকাশ সিং দাবি করেন। সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত নয়া মোড় নেয়, রীহার মাদকযোগের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসবার পর। মাকককাণ্ডে এনসিবির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সুশান্তের গার্লফ্রেন্ড। আপতত জামিনে মুক্ত রীহা। 

বন্ধ করুন