বাড়ি > বায়োস্কোপ > বস হিসাবে কেমন ছিলেন সুশান্ত? জানুন অভিনেতার ম্যানেজারের হৃদয়ছোঁয়া বার্তা
সুশান্তকে নিয়ে মনছোঁয়া পোস্ট তাঁর ক্রিয়েটিভ ম্যানেজারের (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
সুশান্তকে নিয়ে মনছোঁয়া পোস্ট তাঁর ক্রিয়েটিভ ম্যানেজারের (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

বস হিসাবে কেমন ছিলেন সুশান্ত? জানুন অভিনেতার ম্যানেজারের হৃদয়ছোঁয়া বার্তা

  • আমি নিশ্চিত তুমি কোথাউ একটা আছো ওই অ্যানড্রোমিডা ছায়াপথটার আশেপাশে। এই মহাবিশ্বের পথে তোমার জার্নিটা শুভ হোক, লিখলেন সুশান্তের ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার সিদ্ধার্থ পিঠানি।

সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার খবরটা এখনও মেনে নেওয়া কঠিন তাঁর পরিবার ও অনুরাগীদের কাছে। গোটা দেশ কার্যত শকড এই এই তারকার অকালমৃত্যুতে। ৩৪ বছরেই পাহাড়প্রমাণ খ্যাতি,এত ভক্তের ভালোবাসা, পরিবার, উজ্বল ভবিষ্যত-সবকিছু অচিরেই ছেড়ে কেন আত্মহননের মতো চরম সিদ্ধান্ত সুশান্ত নিলেন বুঝে উঠতে পারছেন না কেউই!  সুশান্তের আত্মহত্যার মামলায় ইতিমধ্যেই অভিনেতার ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার সিদ্ধার্থ পিঠানীর বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। তারকার মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় 'বস' সুশান্ত সিং রাজপুতকে নিয়ে মন ছোঁয়া পোস্ট লিখলেন তাঁর ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার। 

মহাকাশ আর পদার্থবিদ্যা নিয়ে  সুশান্তের পাগলামির কথা কারুরই অজানা নয়,চাঁদের দিকে তাকিয়ে তিনি সারারাত বসে থাকতেন। বাড়িতে রয়েছে এল এক্স ৬০০ টেলিস্কোপ। যা দিকে দেখতেন দেখতেন শনির বলয়,নক্ষত্র,চোখ রাখতেন ছায়াপথে। আর অনেক সময়ই সুশান্তের এই রাত জাগার সঙ্গী হতেন তাঁর ম্যানেজার। সোশ্যাল মিডিয়ায় টেলিস্কোপে চোখ রাখা সুশান্তের বহু ছবি নিজের হাতে ফ্রেমবন্দি কেরছেন সিদ্ধার্থ। বস-এর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে সেও। 

ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে সিদ্ধার্থ লেখেন, আমরা অপেক্ষা করছিলাম তোমার হোম টাউনের ফ্লাইট ধরব বলে,তুমি আমাদের নিজের মোবাইলে ভিডিয়ো দেখাচ্ছিলে। স্টেজে তোমার এক লাইভ পারফরম্যান্স থেকে একটা ডকুমেন্ট্রি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের।তারপর একটা ক্রিকেট ম্যাচ। একজন ভাই, বন্ধু,শিক্ষক এবং মেন্টর।আমি নিশ্চিত তুমি কোথাউ একটা আছো ওই অ্যানড্রোমিডা ছায়াপথটার আশেপাশে। এই মহাবিশ্বের পথে তোমার জার্নিটা শুভ হোক। তোমার আত্মার শান্তি কামনা করি সুশান্ত স্যার, বুড্ডা মিস ইউ'।

 

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে নেবে কোনও উল্লেখযোগ্য সূত্র এখনও অধরা পুলিশের। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে আত্মহত্যা করেছেন সুশান্ত সিং রাজপুত। তবে মেলেনি সুইসাইড নোট। তবে সুশান্ত যে ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন তা নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

 

পুলিশকে দেওয়া বয়ানে সিদ্ধার্থ জানিয়েছেন, ৪ মাস সুশান্তের সঙ্গে ছিলেন না তিনি। ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে সুশান্তের সঙ্গে তাঁর পেশাগত সম্পর্ক ছিন্ন হয় তবে চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ফের একবার নিজের টিমে সিদ্ধার্থকে শামিল করেন সুশান্ত। মূলত পুলিশ সিদ্ধার্থের থেকে অভিনেতার আর্থিক স্থিতি,ব্যবসা এবং ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর প্রোফাইল কেমন ছিল সেই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেছে। সুশান্তের ব্যাঙ্ক ডিটেলসে কোনও অসঙ্গতি মেলেনি বলেই পুলিশ জানিয়েছে। রবিবারই সুশান্তের ম্যানেজারের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে তবে বিস্তারিত তথ্যের জন্য আরও একবার তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বন্ধ করুন