বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > জেলেই ঠাঁই, খারিজ রিয়ার জামিনের আবেদন, ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত মঞ্জুর
রিয়া চক্রবর্তী  (REUTERS)
রিয়া চক্রবর্তী  (REUTERS)

জেলেই ঠাঁই, খারিজ রিয়ার জামিনের আবেদন, ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত মঞ্জুর

  • ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকবেন রিয়া, এনসিবির দাবি মেনে নিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। 
  • রিয়ার জামিনের আবেদন খারিজ করলেন ম্যাজিস্ট্রেট।

জামিন মিলল না, আগামী ১৪ দিন জেলেই থাকতে হবে রিয়া চক্রবর্তীকে। সুশান্ত মামলার সঙ্গে জড়িত মাদককাণ্ডে গ্রেফতার রিয়া চক্রবর্তীর ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত মঞ্জুর করলেন ম্যাজিস্ট্রেট। আজ রাতেই সংশোধনাগারে পাঠানো হবে রিয়া চক্রবর্তীকে। সূত্রের খবর আগামীকাল সেশন কোর্টে রিয়ার জামিনের আবেদন করবেন এনসিবির হাতে গ্রেফতার আইনজীবীরা।

আজ বিকাল চারটে নাগাদ এনসিবির হাতে গ্রেফতার হন রিয়া। এরপর মুম্বইয়ের সাইন হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয় রিয়ার। সেখান থেকে ফের এনসিবির ব্যালাড এসস্টেটের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয় রিয়াকে। ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আজই ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হয় রিয়া চক্রবর্তীকে। এনসিবির তরফে রিয়ার কাস্টডি রিম্যান্ড দাবি করা হবে না, সে কথা আগেই জানিয়েছিলেন সংস্থার ডেপুটি জেনারেল এমএ জৈন। এনসিবির তরফে রিয়ার ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের দাবি করা হয়েছিল। তা মঞ্জুর করা হয়েছে। 

মেডিক্যাল পরীক্ষার পথে রিয়া 
মেডিক্যাল পরীক্ষার পথে রিয়া  (PTI)

এনসিবির তরফে জানানো হয়েছে, 'রিয়া নিজের জবানবন্দিতে যা বলেছেন সেটা ওঁকে গ্রেফতার করবার জন্য যথেষ্ট। আমরা যখন ওকে গ্রেফতার করেছি তখন আমাদের কাছে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে’। রিয়ার কাছ থেকে কোনওরকম নিষিদ্ধ মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়নি সেটিও পরিষ্কার করে দেন এমএ জৈন। কী ধরণের প্রমাণ মিলেছে রিয়ার কাছ থেকে, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খোলেনি এনসিবি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে, তাই এই নিয়ে কোনও মন্তব্য নয় জানান এমএ জৈন।

আজ সকাল ৯.২০ মিনিটে জুহুস্থিত নিজের আবাসন থেকে এনসিবির দফতরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন রিয়া। সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ব্যালাড এস্টেটের অফিসে পৌঁছান রিয়া। গ্রেফতারি অবধারিত তা বোধহয় আজ আঁচ করতে পেরেছিলেন রিয়া। দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ রিয়ার গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। চারটের কিছু আগেই এই খবরে এনসিবির সিলমোহর পরে। 

এনডিপিএস আইনের আওতায় ৮ (সি), ২০ (বি), ২৭ (এ), ২৮, এবং ২৯ নম্বর ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে রিয়া চক্রবর্তীকে। রিয়ার বিরুদ্ধে এনসিবির তরফে যে ধারাগুলি এনডিপিএন আইনের আওতায় আনা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখ্য ২৭ (এ) ধারা অর্থাত্ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, যা প্রমাণ হলে কমপক্ষে ১০ বছরের সাজা হবে রিয়ার।

মাদককাণ্ডে এনসিবির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পাশাপাশি, সুশান্ত মামলায় অপর দুই কেন্দ্রীয় সংস্থার এফআইআরেও মূল অভিযুক্ত রিয়া চক্রবর্তী। সিবিআই সুশান্তের মৃত্যু মামলার তদন্ত করছে, অন্যদিকে আর্থিক তছরুপ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত চালাচ্ছে ইডি।

বন্ধ করুন