বাড়ি > বায়োস্কোপ > ওটিটি-তে নয়, হল রিলিজই করতে চান,কিন্তু কবে? চিন্তায় টলিউডের প্রযোজক, পরিচালকরা
ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক
ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

ওটিটি-তে নয়, হল রিলিজই করতে চান,কিন্তু কবে? চিন্তায় টলিউডের প্রযোজক, পরিচালকরা

এখনও পর্যন্ত কবে সিনেমা হল খুলবে সে বিষয়ে সঠিক কোনও তথ্য নেই। বড়, মাঝারি এবং ছোট বাজেট মিলে মুক্তির অপেক্ষায় আটকে থাকা ছবির সংখ্যা বেশ অনেক গুলি। আনলক পর্বে সিনেমার শুটিং শুরু হলেও রয়েছে সাবলীল ছন্দে শুটিংয়ের বিস্তর সমস্যা। রইল টলিউডের হাল হকিকত।

করোনা সংকটে বাংলা ছবির রিলিজের ভবিষ্যত এখনও অনিশ্চিত টলিউডে। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে বিগ বাজেট থেকে মাঝারি বাজেটের ছবির লম্বা লাইন।এই সব ছবির প্রযোজক এবং হাউসের কর্মকর্তারা একমাত্র সিনেমা হলেই রিলিজ করতে চান তাঁদের সিনেমা। ওটিটি প্লযাটফর্মে মুক্তির কথা তাঁরা এখনও ভাবছেন না। প্রথমে শোনা গিয়েছিল অগস্ট মাসেই খুলছে সিনেমা হল গুলি। যদিও সে ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট  খবর নেই। আশা করা যায় পুজোর সময় পরিস্থিতি স্বভাবিক হলে সিনেমা হল খুলে যাবে। কিন্তু এই  বিষয়টিও  এখনও জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। আপাতত ধোঁয়াশায় টলিউড ইন্ডাস্ট্রি।

ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক
ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

লকডাউনের আগেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল রাজ চক্রবর্তীর অন্যতম চর্চিত ছবি ‘ধর্মযুদ্ধ’-র। তালিকায় রয়েছে কাঞ্চন মল্লিক অভিনীত এবং সায়ন্তন ঘোষাল পরিচালিত ছবি ‘টেনিদা’। কথা ছিল গ্রীষ্মের ছুটিতে মুক্তি পাবে ‘টেনিদা’। রয়েছে সৌকর্য ঘোষালের ছবি ‘রক্তরহস্য’, এবং রাজ চক্রবর্তীর অপর একটি ছবি ‘হাবজি গাবজি'’।

এসভিএফ-প্রোডাকশনের বহু প্রতীক্ষি ছবি, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ পুজোয় মুক্তি পাবে বলে ইতিমধ্যে শোনা গিয়েছে। দেব প্রযোজিত ‘হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী’ রিলিজ করার কথা ছিল গরমের ছুটিতে। দেব অভিনীত ও প্রযোজিত অপর একটি ছবি ‘কিশমিশ’ মুক্তি পাওয়ার কথা পুজোতে কিন্তু সেই ছবির কাজই শুরু করা যায়নি করোনার জেরে। এছাড়া, অতনু রায়চৌধুরীর ‘টনিক’, অরিন্দম শীলের ‘মায়া কুমারী’, উইন্ডোজের ‘লক্ষ্মী ছেলে’ সহ বেশ কিছু ছবি এখন মুক্তির অপেক্ষায়।

ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক
ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

এদিকে  আনলকের পর টলিউডে  শুটিং শুরু হয়েছে কিন্তু সেখানেও প্রচুর বাঁধা। প্রযোজক সংস্থা এবং পরিচালকদের একাংশের মতে, করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে আবার শুটিং শুরু হয়েছে তা অবশ্যই আশার বার্তা বহন করে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মেনে যে সকল নিয়ম অনুসারে শুটিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাতে সিনেমার শুটিংয়ের ক্ষেত্রে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এত ছোট ইউনিট নিয়ে বিগ বাজেট ফিচার ফিল্ম শুট করা সম্ভব নয়। তাছাড়া এখন সর্ব সাধারণের যা আর্থিক পরিস্থিতি তাতে সিনেমা হল খুললেই যে মানুষ খরচা করে টিকট কেটে হলে ভিড় জমাবেন সে বিষয়েও সংশয় থেকেই যাচ্ছে। 

 

 

 

 

 

 

   

বন্ধ করুন