বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ওঁরা একসঙ্গে খুশি ছিলেন না আর...সইফ-অমৃতার বিচ্ছেদ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন সারা

ওঁরা একসঙ্গে খুশি ছিলেন না আর...সইফ-অমৃতার বিচ্ছেদ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন সারা

বাবা এবং মায়ের সঙ্গে সারা। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)

মা অমৃতা সিং এবং বাবা সইফ আলি খানের বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলতে দেখা যায়নি তাঁদের সন্তান তথা বলি-তারকা সারা আলি খানকে। তবে সম্প্রতি প্রথমবার এই বিষয়ে নিজের মতামত জানালেন তিনি।

সিনেমা, কেরিয়ারের বাইরে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে একাধিকবার মুখ খুলেছেন সারা আলি খান। কিন্তু কখনওই মা অমৃতা সিং এবং বাবা সইফ আলি খানের বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলতে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে এবার খুললেন।

১৯৯১ সালে অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে চার হাত এক হয় সইফের। তাঁদের দুই সন্তান সারা এবং ইব্রাহিমের জন্মের পর ২০০৪ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের। এরপর ২০১২ সালে করিনা কাপুরকে বিয়ে করেন সইফ। তৈমুর এবং জেহ তাঁদের দুই সন্তানের নাম। ভুট-এর 'অরিজিন্যাল ফিট আপ উইথ দ্য স্টার্স'-এর ৩ নম্বর সিজনের এক পর্বে প্রথমবার নিজের মা-বাবার বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন তাঁদের মেয়ে তথা বলি-অভিনেত্রী সারা আলি খান।

'আসলে ব্যাপারটা কিন্তু বেশ সহজ। আপনার কাছে দুটি অপশন থাকে। হয় এক বাড়িতে অসুখী অবস্থায় দু'জন একসঙ্গে থাকুন অথবা আলাদা আলাদা বাড়িতে থাকুন এবং নিজের মতো দারুণ জীবন যাপন করুন। তাহলে কী হয়, মাঝেমধ্যেই যখন আপনাদের দু'জনের দেখা হবে বেশ পরস্পরের প্রতি সম্মানও থাকবে, স্নেহও থাকবে। আমি আমার মা এবং ভাইয়ের সঙ্গে থাকি। মা-ই আমার সবকিছু। আবার বাবার সঙ্গেও আমার দারুণ বন্ধুত্ব। যখনই ফোন করি বাবাকে পাই কিংবা মন চাইলে বাবার কাছে গিয়ে থেকে আসি। আসলে সত্যি বলতে কী মা এবং বাবা একসঙ্গে মোটেই সুখী ছিলেন না। খুশি থাকার মেজাজটাই হারিয়ে গেছিল। তাই শেষপর্যন্ত তাঁদের বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তই সবথেকে 'বেস্ট' বলে মনে হয় আমার। এতে আমরা তো বটেই ওঁরাও দিব্যি খুশি রয়েছেন নিজেদের মতো।'

প্রসঙ্গত, সইফের দ্বিতীয় স্ত্রী করিনার সঙ্গেও বেশ ভালো সম্পর্ক সারার। মাঝেমধ্যেই একসঙ্গে ঘুরতে, টুকটাক শপিংয়ে বেরোন তাঁরা। গত বছর করিনার রেডিও শো 'হোয়াট ওম্যান ওয়ান্ট'-এর একটি পর্বে হাজিরও হয়েছিলেন তিনি।

বন্ধ করুন