বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > সাংস্কৃতিক সেলের প্রধান ব্যারাকপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী, গুরুদায়িত্বে সায়ন্তিকাও
রাজ-সায়ন্তিকা পেলেন বড় দায়িত্ব।
রাজ-সায়ন্তিকা পেলেন বড় দায়িত্ব।

সাংস্কৃতিক সেলের প্রধান ব্যারাকপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী, গুরুদায়িত্বে সায়ন্তিকাও

  • ব্যারাকপুরে ভোটে দাঁড়ানোর পর থেকেই এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন রাজ। আর সায়ন্তিকা হেরে গেলেও বারবার বার্তা দিয়ে চলেছেন, ‘পাশে আছি বাঁকুড়া’।

২০২১ বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উন্মাদনা ছিল রাজ চক্রবর্তী, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষকে ঘিরে। যদিও, এরমধ্যে জয় পেয়েছেন একমাত্র রাজ। আসানসোল ও বাঁকুড়া থেকে হেরিে গিয়েছেন দুই অভিনেত্রী। তবে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুনজরে যে রয়েছেন এই দুই তারকা অভিনেত্রী তা প্রমাণিত হত শনিবার। যুব তৃণমূলের সভানেত্রী হলেন সায়নী ঘোষ। যে কুর্সি এতদিন সামলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য দিকে, সায়ন্তিকাকে দেওয়া হল রাজ্য সম্পাদকের পদ। 

বিজেপির হেভিওয়েট নেতা (তৃণমূলের প্রাক্তন) অর্জুন সিং-এর গড়ে জয় হাসিল করা রাজের জন্য সহজ কাজ ছিল না। ভোটের নমিনেশন জমা দেওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলেই ছিলেন তিনি। তাই অনেকেই ভেবেছিল মমতার মন্ত্রীসভায় জায়গা হবে রাজের। কিন্তু, তা হয়নি দেখে চমকে গিয়েছিলেন সকলে। রাজের অনুরাগীদের সেই ক্ষোভ পুষিয়ে দিলেন মমতা। রাজ্য সাংস্কৃতিক সেলের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হল ব্যারাকপুরের বিধায়ক ও পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে। একইসঙ্গে বঙ্গজননীতে আনা হল বিধায়ক জুন মালিয়া ও লাভলি মৈত্রকে। তৃণমূলের একাধিক সাংগঠনিক পদের দায়িত্ব দেওয়া হল তারকাদের, যা কার্যত নজিরবিহীন!

প্রসঙ্গত, রাজ বর্তমানে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের কর্তা। সাংস্কৃতিক মহলে তাঁর যোগযোগ সকলেরই জানা। তাই মূলত এই পদে বসানো হয়েছে রাজকে। সঙ্গে, তিনি যেভাবে করোনার সময় ব্যারাকপুরের মানুষের পাশে থেকে কাজ করছেন, খুলেছেন কোভিড হাসপাতাল। বিতরণ করছেন মাস্ক, স্যানেটাইজার তা মন ছুঁয়ে গিয়েছে সকলের। বোঝা যাচ্ছে, নতুন রাজনীতির ময়দানে পা রাখা এই অনভিজ্ঞ মানুষটাই কয়েক গোল দিয়েছেন দুঁদে রাজনীতিবিদদের।

অন্য দিকে, সায়ন্তিকা বাঁকুড়ায় হারলেও করোনাকালে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ‘দুয়ারে ডাক্তার’ ‘দুয়ারে অক্সিজেন’ ‘কোভিড সেফ হোম’ থেকে শুরু করে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন এলাকার মানুষদের জন্য। তাঁর বিশ্বাস, এখন যদি ভোট হত তাঁর কাজ দেখে খুসি হয়ে সকলে তাঁকেই ভোট দিতেন।

বন্ধ করুন