পার্থ সারথি (ছবি সৌজন্যে-ইউটিউব)
পার্থ সারথি (ছবি সৌজন্যে-ইউটিউব)

টুইস্ট!! জনপ্রিয় অভিনেতা পার্থসারথি এখন গায়ক, পয়লা বৈশাখে মুক্তি পেল তাঁর গান

  • পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে মুক্তি পেল অভিনেতা পার্থসারথির রেকর্ড করা প্রথম গান। এতদিন মেইন স্ট্রিম বাংলা ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে এই অভিনেতাকে। কৌতুক অভিনতা হিসেবে টলিউডে তিনি বিশেষ পরিচিত। কিন্তু হঠাৎ গান কেন? পয়লা বৈশাখের আড্ডায় HT Bangla-কে শোনালেন তাঁর গানের গল্প।

এই প্রথম গান রেকর্ড করলাম। গানের নাম 'অভিনয়'--

হ্যাঁ, রেকর্ডিংটা করেই ফেললাম। এই প্রথম গান রেকর্ড করলাম। গানটির নাম 'অভিনয়'। আমি গায়ক নই কিন্তু গানের ওপর প্রথম থেকেই টান। সেই থিয়েটারের সময় থেকেই গান নিয়ে অনেক কিছু ভেবেছি, কিন্তু বাস্তবে তা করে ওঠা হয়নি। থিয়েটারের মাধ্যমেই আমার অভিনয় জগতে আসা। সেখান থেকেই মেইন স্ট্রিম বাংলা সিনেমায় পা রাখা। এরপর আস্তে আস্তে ব্যস্ততা বাড়তে থাকে। সারাদিন বিভিন্ন ছবির শুটিং, ওয়ার্কশপ, স্টেজ অ্যাপিয়ারেন্স ইত্যাদি লেগেই রয়েছে। তাই গানের সখটা মনের ভিতরেই থেকে গিয়েছিল, গান গাওয়া আর হয়নি।অনেক দিন বাদে এই সুযোগটা এল। সেই থিয়াটারের পর একদম অন্য রকম একটা অভিজ্ঞতা।


আউটডোর শুটিং মানেই রাত্রিবেলা গানের আড্ডা--

আমার গান নিয়ে যে পাগলামোটা রয়েছে সেটা এই ইন্ডাস্ট্রির অনেকেরই জানা। নিজের খেয়ালে গান গাই, কছের মানুষদের জন্য গাই। বন্ধুদের শোনাই। বিশেষ করে যখন আউটডোরে শুটিং থাকে তখন পুরো ইউনিটটাই একটা পরিবারের মত হয়ে যায়। সারা দিন হইহই করে কাজ চলে, কাজের পর, সন্ধ্যেবেলা হোটেলে ফিরে প্রায় দিনই সবাই মিলে আড্ডা বসে। সেখানে সকলের আবদারে আমিও আমার গানের স্টক উজার করে গান শোনাই। কখনও কখনও মধ্যরাত পর্যন্ত চলে গান বাজনা।

শ্রী প্রীতমই প্রস্তাবটা নিয়ে আসে—

টলিউডের খ্যাতনামা মিউজিক ডিরেকটর শ্রী প্রীতমের কথা সকলেই জানেন। বিক্রম সিংহ, ইডিয়েট এই সব সুপার হিট ছবির মিউজিক ওঁর করা। শ্রী প্রীতমই আমাকে এই প্রস্তাবটা দেয়। আমাকে ডেকে বলে গানটা গাইতে হবে। প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম, এত গায়ক থাকতে আমি কেন! পরে বুঝলাম এটা একটু অন্য রকম কাজ। খানিকটা এক্সপেরিমেন্টাল। এতদিন দর্শক আমাদের অভিনয় করতে দেখেছেন, এবার থেকে তাঁরা আমাদের প্যাশনটা সম্বন্ধেও জানবেন। গ্রিবস মিউজিক থেকে গানটি রিলিজ করল। আমিই প্রথম এই গান রেকর্ড করেছি। বাংলাদেশেও এই গানটি রেকর্ড করা হয়েছে। এটি ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রোজেক্ট।

ফেসবুক থেকে
ফেসবুক থেকে

মানুষকে আনন্দ দিতে পারলেই আমার গান গাওয়া সার্থক--

কথা ছিল অনুষ্ঠান করেই গান রিলিজ করা হবে। কিন্তু এখন তো সে সবের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তাই পয়লা বৈশাখের সময় ইউটিউবে গানটি প্রকাশ করা হল। এই সময় সকলেই আমরা এক কঠিন অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, কারোরই মন মেজাজ ভালো নেই। ভালো থাকার কথাও নয়, তবুও , তার মধ্যেও যদি শ্রোতাদের একটুও আনন্দ দিতে পারি তাহলেই আমার গান গাওয়া সার্থক। আগেই বলেছি আমি গায়ক নই, তাই কোথাও ভুল মনে হলে ক্ষমা করে দেবেন। সবাই সাবধানে থাকুন। বাড়িতে থাকুন।

ফেসবুক পেজ থেকে
ফেসবুক পেজ থেকে
বন্ধ করুন