বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ১১ মে দিনটা বিক্রমের জীবনে খুব স্পেশ্যাল, কিন্তু কেন জানেন?

বাংলা টেলিভিশনের দুনিয়ার হার্টথ্রব নায়ক বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। কখনও ইচ্ছেনদীর অনুরাগ তো কখনও আবার ফাগুন বউ-এর রোদ্দুর বা অয়নদীপ হয়ে দর্শক মনে পাকা ঘর করে নিয়েছেন বিক্রম। তবে ছোটপর্দার এই তারকা অভিনয় সফর শুরু করেছিলেন রুপোলি পর্দায়। আজ থেকে ঠিক ৯ বছর আগে ২০১২ সালের ১১ মে মুক্তি পেয়েছিল বিক্রমের প্রথম ছবি ‘এলার চার অধ্যায়’। স্বাভাবিকভাবেই আজকের দিনে নস্ট্যালজিক অভিনেতা। ইনস্টাগ্রামে ছবির একটি ক্লিপিংস শেয়ার করে নিজের মনের কথা জানান বিক্রম।

এলার চার অধ্যায় পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই প্রয়াত পরিচালকের স্মৃতি আরও বেশি নস্ট্যালজিক করে দেয় বিক্রমকে। এই ছবিতে প্রথমবার দর্শক দেখেছিল পাওলি-বিক্রম জুটিকে। ছবির প্রেক্ষাপট ১৯৪০-এর দশকের ব্রিটিশ ভারত। ইন্দ্রনাথ এক বিপ্লবী দলের নেতা। এলা এই দলের শিক্ষিকা। নিজের প্রেমিক অতীন্দ্র ও দেশের প্রতি কর্তব্য – এই দুইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বে এলা (পাওলি) জর্জরিত এলার কাহিনি বলে এই ছবি। 

প্রথম ছবির অভিজ্ঞতা ভোলবার নয়, ভোলেনি বিক্রমও। আজও মনের মণিকোঠায় যত্ন করে আগলে রেখেছেন এলার এই কাহিনিকে। বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বড়মাপের পরিচালকের গল্পের নায়ক হতে পারাটাও কম কীসের! বিক্রম এক সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন, 'বাপ্পাদার মত অত বড় মাপের পরিচালক ভরসা করেছিলেন, সেটাই আমার কাছে অনেক। বাপ্পাদার কাছে আমার ঋণের কোনও শেষ নেই। আমি ওঁর কাছে কৃতজ্ঞ। বাপ্পাদার হাত ধরেই আমি আন্তর্জাতিক সিনেমা দেখতে শিখি। তার আগে তো আমি বাংলা আর বলিউড ছাড়া কিছু দেখতাম না। বাপ্পাদা আমায় বিশ্বসিনেমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়'।

বিক্রমের এই পোস্টে লাইক-কমেন্টের বন্যা। অভিনতার ‘তানসেনের তানপুরা’ কো-স্টার জয়তি ভাটিয়া কমেন্ট বক্সে লেখেন, এই ছোট্ট ভিডিয়োটি দেখেই তাঁর গোটা ছবি দেখতে ইচ্ছা করছে। কোথায় সেটি দেখতে পাবেন তা খোঁজও করেন হি্ন্দি টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। উল্লেখ্য, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আমাজন প্রাইমে চাইলে দেখে ফেলতে পারেন এই ছবি। 

 

 

বন্ধ করুন