বাড়ি > বায়োস্কোপ > প্রয়াত সংগীত পরিচালক সাজিদ-ওয়াজিদ জুটির ওয়াজিদ খান
ওয়াজিদ খান
ওয়াজিদ খান

প্রয়াত সংগীত পরিচালক সাজিদ-ওয়াজিদ জুটির ওয়াজিদ খান

মাত্র ৪২ বছর বয়সে মুম্বইয়ে মারা গেলেন তিনি। 

প্রয়াত সংগীত পরিচালক ওয়াজিদ খান। জনপ্রিয় সাজিদ-ওয়াজিদ জুটির অংশ ছিলেন তিনি। ওয়ানটেড, ডাবাং, এক থা টাইগার প্রভৃতি ছবিতে সংগীত দিয়েছেন এই জুড়ি। রবিবার গভীর রাতে মারা যান ওয়াজিদ। বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। 

তাঁর করোনা হয়েছিল বলে অনেকে অনুমান করেছিল। যদিও আপাতত জানা যাচ্ছে যে তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। সংগীত পরিচালক সেলিম মার্চেন্ট এই সংবাদ নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন মুম্বইয়ের চেম্বুরে এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ওয়াজিদ।সেখানেই দ্রুত তাঁর পরিস্থিতির অবনতি হয়।  

পিটিআই-কে সেলিম জানান অনেক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন ওয়াজিদ। কিডনির সমস্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। একবছর আগে ট্রান্সপ্লান্ট হয়। কিন্তু তারপর কিডনি ইনফেকশন হয় তাঁর। কয়েক দিন ধরে ভেন্টিলেটরে ছিলেন ওয়াজিদ। কিন্তু আর সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। 

সলমন খানের বহু ছবিতে কাজ করেছেন ওয়াজিদ। ১৯৯৮ সালে প্যায়ার কিয়া তো দরনা ক্যায়া দিয়ে শুরু। এরপর গর্ব, তেরে নাম, তুমকো না ভুল পায়েঙ্গে, পার্টনার, দাবাঙ্গ- সব ছবিতেই সংগীতের মাধ্যমে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন ওয়াজিদ। 

তিনি প্লেব্যাকও করেন বেশ কিছু গানে। হালে সলমনের ভাই ভাই ও প্যায়ার কারোনা গানেও সুর দিয়েছেন তাঁরা। এছাড়াও সারেগামাপা-এ বিচারক ছিলেন সাজিদ-ওয়াজিদ। আইপিএল ৪-এর থিম সং ধুম ধাড়াকা লিখেছিলেন তাঁরা। ফাস্ট ও পেপি গানের জন্যই বিখ্যাত ছিলেন সাজিদ-ওয়াজিদ। যদিও তেরে নামের গান মনকে ছুঁয়ে যায়। অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও টাটকা লাগে তাঁদের গান, এটাই ছিল কমপোজিশনের জাদু। 

ওয়াজিদের মৃত্যুতে বলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, বরুণ ধাওয়ান, বিশাল দাদলানি, শঙ্কর মহাদেবন, জাভেদ আলি ও অন্যান্যরা। লকডাউনের মধ্যে ঋষি কাপুর, ইরফান খানের পর ফের এক বড়মাপের নক্ষত্র হারালো বলিউড। 

 

বন্ধ করুন