বাড়ি > বায়োস্কোপ > ছেলে অবসাদগ্রস্ত ছিল জানতেও পারেনি সুশান্তের বাবা! মন খারাপ হত জানতাম তবে…
সুশান্তের ডিপ্রেশনের কথা জানত না পরিবার!
সুশান্তের ডিপ্রেশনের কথা জানত না পরিবার!

ছেলে অবসাদগ্রস্ত ছিল জানতেও পারেনি সুশান্তের বাবা! মন খারাপ হত জানতাম তবে…

  • সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই প্রায় ৯ জনের বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। 

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে নেবে কোনও উল্লেখযোগ্য সূত্র এখনও অধরা পুলিশের। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে আত্মহত্যা  করেছেন সুশান্ত সিং রাজপুত। তবে মেলেনি সুইসাইড নোট। কী কারণে আত্মহত্যার ৩৪ বছরের এই বলিউড তারকার? ব্যক্তিগত জীবনের কোনও সমস্যা নাকি পেশাগত বিদ্বেষ? সব দিক খতিয়ে দেখছে মুম্বই পুলিশ। 

তবে সুশান্ত যে ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন তা নিশ্চিত করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা কেকে সিং এবং তাঁর দুই দিদির বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্রে খবর,সুশান্তের বাবা পুলিশকে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে অবসাদগ্রস্ত ছিল না জানতেন না তিনি। হ্যাঁ,মাঝেসাঝে মন খারাপের কথা বলত,ব্যাস ওইটুকুই। সুশান্তের মৃত্যুর জন্য কারুর দিকে সন্দেহের আঙুল তোলেনি প্রয়াত অভিনেতার পরিবার,জানিয়েছেন মুম্বই পুলিশের এক সিনিয়ার অফিসার।

মুম্বই মিরেরর তথ্য অনুযায়ী সুশান্তের কাটার রোডের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে প্রচুর পরিমাণে ডিপ্রেশনের ওষুধ ও একাধিক প্রেশক্রিবশন মিলেছে। গত কয়েকমাসে বারবার চিকিত্সক বদল করেছেন সুশান্ত।এবং প্রত্যেক বার মেডিসিনের ডোজ বৃদ্ধি পেয়েছে। সুশান্ত যে সমস্ত চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়েছিলেন তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত সুশান্তের চর্চিত বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর বয়না রেকর্ড করেনি পুলিশ।  

রবিবার সুশান্তের দেহের ময়নাতদন্ত করা হয় জুহুর আর এন কুপার হাসাপতালে। তিনজন চিকিত্সকের একটি দল সুশান্ত সিং রাজপুতের অটোপসি করেছে। মৃত্যুর প্রাথমিক কারণ ‘ঝুলে পড়বার কারণে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু’, সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন ডিসিপি অভিশেক ত্রিমুখ।

সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই প্রায় ৯ জনের বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্য ছাড়াও বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে অভিনেতার দুই ম্যানেজার, কেয়ারটেকার, রাঁধুনি এবং সেই দিন সুশান্তের অ্যাপার্টমেন্টে হাজির বন্ধুর। পুলিশ বয়ান রেকর্ড করেছে অভিনেতা মহেশ শেট্টিরও। যাঁকে শেষবার ফোন করেছিলেন সুশান্ত।যদিও ফোন রিসিভ না করায়..অসম্পূর্নই রয়েগিয়েছিল সেই কথা। 

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুসারে সুশান্তের ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার সিদ্ধার্থ পিঠানির সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে চাইছে অভিনেতার আর্থিক স্থিতি,ব্যবসা এবং ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর প্রোফাইল কেমন ছিল। যদিও সুশান্তের ব্যাঙ্ক ডিটেলসে কোনও অসঙ্গতি মেলেনি বলেই পুলিশ জানিয়েছে। রবিবারই সুশান্তের ম্যানেজারের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে তবে বিস্তারিত তথ্যের জন্য আরও একবার তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মহারাষ্ট্রের গৃহমন্ত্রী অনিল দেশমুখ ইতিমধ্যেই সুশান্তের মৃত্যুর পূর্ন তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানান, 'ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত সুইসাইড করেছেন, গলায় ফাঁস লাগিয়ে। অনেক মিডিয়া রিপোর্ট বলছে পেশাদার জীবনে রেষারেষির কারণেই নাকি ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনে চলে যান সুশান্ত,সেই দিকটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ,পূর্ন তদন্ত হবে।

বন্ধ করুন