বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 'বিগড়ে যাওয়া সন্তান তৈরি করতে চাই না', বাচ্চাকে কেমনভাবে গড়ে তুলবেন বিরুষ্কা?
কেমন সন্তান গড়তে চান বিরুষ্কা? 
কেমন সন্তান গড়তে চান বিরুষ্কা? 

'বিগড়ে যাওয়া সন্তান তৈরি করতে চাই না', বাচ্চাকে কেমনভাবে গড়ে তুলবেন বিরুষ্কা?

  • সন্তানকে সোশ্যাল মিডিয়ার আড়ালে রাখবেন বিরাট-অনুষ্কা, সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন তারকা দম্পতি। 

নতুন বছরের শুরুতেই প্রথম সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন অনুষ্কা শর্মা। অগস্টে নায়িকার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসবার পর থেকেই গোটা দেশ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বিরুষ্কার সন্তানের। দশকের সেরা ক্রিকেটার এবং বলিউডের প্রথম সারির নায়িকার সন্তান জন্মের আগে থেকেই তারকা স্টেটাস পেয়ে গিয়েছে তা বলাই যায়। অনুষ্কা সম্প্রতি জানালেন নিজের সন্তানকে সকলকে সম্মান করতে শেখানোটাই তাঁর প্রথম ও প্রধান কাজ। তিনি চান, নিজের বাবা-মা'র কাছে যে শিক্ষা নিয়ে তিনি বড়ো হয়েছেন, সেটাই সন্তানকে দিতে। 

কীভাবে নিজের সন্তানকে বড়ো করবেন বিরাট-অনুষ্কা? সেই পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই তৈরি করে ফেলেছেন তারকা দম্পতি। ভোগ ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে অনুষ্কার সাফ কথা,'আমরা বাবা-মা'র বিগড়ে যাওয়া সন্তান তৈরি করতে চাই না'। 

'মানুষ হিসাবে আমাদের মধ্যে যথেষ্ট সামঞ্জস্য রয়েছে এবং জীবন নিয়ে আমাদের ভাবনাও একইরকমের। তাই আমার মনে হয় সেটা আমাদের পক্ষে কাজ করবে। বাবা-মা হওয়ার আগে থেকেই এই বিষয়টা নিয়ে আমি ভেবেছি। আমি প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা নিয়ে বড় হয়েছি। সেটাই আমাদের বাড়িতেও বজায় থাকবে। ভালোবাসাই হবে সম্পর্কের বন্ধন, বাচ্চা যেন সকলকে সম্মান করে, সেই মূল্যবোধটা ওর মধ্যে গড়ে দিতে হবে। আমরা বিগড়ে যাওয়া সন্তান তৈরি করতে চাই না', অকপটে বললেন বিরাট ঘরনি। 

পাপারাতজিরা যেভাবে ছোট থেকেই তৈমুরকে ছেঁকে ধরে থাকে সেই নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী তথা তৈমুরের ঠাকুমা শর্মিলা ঠাকুর। তিনি এমনটাও বলেছিলেন বিরুষ্কার সন্তান এলে হয়ত তৈমুরকে রেহাই দেবে পাপারাতজিরা। সন্তানকে নিয়ে মিডিয়ার মাতামাতি সম্পর্কেও যথেষ্ট ওয়াকিবহাল অনুষ্কা। 

সন্তানকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরেই রাখবেন মিস্টার অ্যান্ড মিসেস কোহলি, সেই সিদ্ধান্ত তাঁরা নিয়ে ফেলেছেন। ‘আমরা অনেক ভাবনাচিন্তা করেছি। জনগণের চোখের সামনে অবশ্যই আমরা আমাদের সন্তানকে বড় করতে চাই না। সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনওভাবেই সন্তানকে যুক্ত করতে চাই না। এই সিদ্ধান্তটা সন্তানের উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। অন্যদের চেয়ে তোমার সন্তানকে বেশি স্পেশ্যাল হিসাবে গড়ে তোলাটা অনুচিত। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যই সোশ্যাল মিডিয়া সঙ্গে মানিয়ে উঠা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে খুদেদের জন্য সেটা কতখানি শক্ত হতে পারে?  এটা শক্ত হবে (সন্তানকে সোশ্যাল মিডিয়ার আড়ালে রাখা), কিন্তু আমরা সেটা মেনে চলতে চাই’।

সন্তানের সকল দায়িত্বে সমানভাবে ভাগ করে নেবেন বিরাট-অনুষ্কা। মায়ের কোনও নির্দিষ্ট ডিউটি থাকবে না, এক পরিবারের সদস্য হিসাবে একসঙ্গে সন্তানকে বড় করবেন তাঁরা। প্রথম কয়েক বছর মায়ের উপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল থাকে সন্তান, সেকথা অজানা নয় অনুষ্কার। কাজ থেকে বিরতি নেবেন না, তবে সন্তানকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন অভিনেত্রী সেকথা জানিয়ে রাখলেন। বিরাট সারা বছর ক্রিকেটের স্বার্থে গোটা বিশ্বে ট্রাভেল করে থাকেন, তাই যে সময়টুকু তাঁরা একসঙ্গে কাটাবেন-সেটা খুব জরুরি বললেন অনুষ্কা। 

বন্ধ করুন