বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 'ভারত গড়তে মুঘলদেরও অবদান রয়েছে,চাইলে ওদের রিফিউজি বলুন', বিতর্কিত মন্তব্য করে ট্রোলড নাসিরুদ্দিন শাহ
নাসিরুদ্দিন শাহ 
নাসিরুদ্দিন শাহ 

'ভারত গড়তে মুঘলদেরও অবদান রয়েছে,চাইলে ওদের রিফিউজি বলুন', বিতর্কিত মন্তব্য করে ট্রোলড নাসিরুদ্দিন শাহ

  • মুঘল শাসকদের ‘রিফউজি’ বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় খিল্লির পাত্র নাসিরুদ্দিন শাহ!

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম চর্চিত নাম নাসিরুদ্দিন শাহ। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরেও হামেশাই চর্চায় থাকেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং-এর মুখে পড়লেন নাসিরুদ্দিন। সৌজন্যে মুঘল শাসকদের নিয়ে করা তাঁর এক বিতর্কিত মন্তব্য। এক সাক্ষাত্কারে 'ডার্টি পিকচার' খ্যাত বলে বসেন, 'মুঘলরা রিফিউজি'।

গত সেপ্টেম্বরেই তালিবানদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ। কয়েকমাস কাটতে না কাটতেই এবার মুঘলদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে চর্চায় অভিনেতা। বর্ষীয়ান অভিনেতা সম্প্রতি জানিয়েছেন, মুঘলরা ভারতে এসেছিল এদেশকে নিজেদের মাতৃভূমি হিসাবে গড়ে তুলতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল তাঁর এক বক্তব্য, সেখানে নাসিরুদ্দিন শাহ বলেছেন, 'মুঘলদের নৃশংসতা নিয়ে প্রায়শয়ই চর্চা করা হয়। কিন্তু আমরা ভুলে যাই মুঘলরা সেই মানুষ যাঁদের অবদান অনস্বীকার্য এই দেশের উন্নয়নে। মুঘলরাই ভারতের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রসিদ্ধ স্থাপত্যগুলো গড়ে তুলেছে। নাচ, গান, আঁকা, সাহিত্য- সব ক্ষেত্রে মুঘলদের অবদান রয়েছে। এটাকে তাঁরা নিজেদের মাতৃভূমি হিসাবে গড়ে তুলেছে, চাইলে আপনারা তাঁদের উদ্বাস্তু বলতেই পারেন'।

কিন্তু নাসিরুদ্দিন শাহের এই মন্তব্য মোটেই ভালো চোখে দেখছে না সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশ। বিশেষত হিন্দুত্ববাদীদের রোষের মুখে পড়ছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা।

নাসিরুদ্দিন শাহকে আক্রমণ করে কেউ লিখেছেন, 'বুঝতে পারি না আক্রমণকারীদের উপর সবার এতো অবসেশন কীসের?' কেউ লিখেছেন, 'কী মুঘলরা রিফিউজি... হাসালেন'। অনেকে লিখেছেন, 'মনে হয উনি ওঁনার জ্ঞানবুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছেন। কারুর ওঁনাকে সিরিয়ালসি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের দেশে অকৃতজ্ঞ মানুষের অভাব নেই, উনিও তেমনই একজন'।


এর আগে তলিবানদের নিয়ে ৭১ বছর বয়সী অভিনেতা বলেছিলেন, ‘গোটা বিশ্ব যেখানে সন্ত্রস্ত আফগানিস্তানে তালিবানের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন দেখে, সেখানে ভারতীয় মুসলমানদের একাংশ জয় উদযাপন করছেন’। নাসিরুদ্দিনের প্রশ্ন ছিল, ‘তালিবানের প্রত্যাবর্তনে যাঁরা উল্লসিত, তাঁদের প্রশ্ন করতে চাই আপনারা কি সেকেলে অসভ্য বর্বর সমাজের পক্ষপাতী? নাকি তাঁরা নতুন দিনের আধুনিক ইসলামকে চান?’

 

বন্ধ করুন