বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > নেশার কবলে ছটফট করতেন, সময়মতো না পেলে জানলা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার কথা ভাবতেন কঙ্গনা!

নেশার কবলে ছটফট করতেন, সময়মতো না পেলে জানলা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার কথা ভাবতেন কঙ্গনা!

কঙ্গনা রানাওয়াত।

কঙ্গনা রানাওয়াত নিজের জীবনের গোপন কথা ফাঁস করলেন, জানুন কী তা!

বলিউডের চর্চিত অভিনেত্রীর তালিকায় প্রথমেই নাম আসে কঙ্গনা রানাওয়াতের। তাঁকে নিয়ে বিতর্ক কম হয় না। তবে জানেন কি, কঙ্গনা মাঝখানে হয়ে পড়েছিলেন এক ভয়ানক নেশার দাস। এমনকী নেশার জিনিস না পেলে রেগেও যেতেন তিনি। ছটফট করতেন। সেই সময় লোকে তাঁকে সতর্কও করেছিল, কীভাবে এটা তাঁর জীবনের জন্য খারাপ হতে পারে!

একসময় প্রায় চেন স্মোকার ছিলেন কঙ্গনা। সিগারেট না পেলে তিনি ছটফট করতে থাকতেন। প্রথমে যখন তিনি সিগারেট খাওয়া শুরু করেন, ভাবতেও পারেননি এরকম কিছু হতে পারে। নো স্মোকিং ডে উপলক্ষে জীবনের এই দিকটা তুলে ধরলেন। 

কঙ্গনা বলেছিলেন, আমার বয়স তখন ১৯ বছর। তখন তিনি ‘লমহে’ ছবির শুটিং করছিলেন। আমার অভিনীত চরিত্রটি বেশ ট্রমাটাইজড ছিল। যা তাঁর স্নায়ুর উপরে চাপ পড়ত। আমি শট থেকে বেড়িয়েই একটা সিগারেট ধরিয়ে নিতাম। তখন আমাকে অনেকেই পরামর্শ দিয়েছিল, বেঁচে থাকতে কোনও কিছুর উপর অভ্যস্ত হওয়া উচিত নয়। আমিও ভাবতাম এমন নোংরা কাজে আমি কীভাবে অভ্যস্ত হয়ে পড়লাম। মানে কাশি, বমি, মাথা ঘোরা ইত্যাদি। শুটিং শেষ করতে করতে ৬-৭ মাস কেটে গিয়েছিল, তখনও আমি সেসব বুঝতে পারিনি। কখনও বন্ধুরা এসছে, তাঁদের কাছ থেকে সিগারেট নিতাম। তারপর আস্তে আস্তে নিজের সাথে সিগারেটের প্যাকেট রাখা শুরু করল। তারপর ধীরে ধীরে দিনে ১০ থেকে ১২টা সিগারেট খেতে থাকলাম।

কঙ্গনা জানিয়েছিলেন যে তিনি তাঁর বাবা-মায়ের সামনে কখনো ধূমপান করতেন না। কিন্তু এমন নেশা হয়ে গিয়েছিল যে সিগারেট না পেলে তাঁর জানলা দিয়ে লাফ মারতে ইচ্ছে হত। তাঁর মনে হত, যেন কেউ তাঁকে দাস বানিয়ে রেখেছে। কঙ্গনার কথায়, ‘যখন কিছু আমাকে শাসন করতে শুরু করে, আমি বিরক্ত হই। তারপর যোগ স্যারকে সবটা বললাম।' কঙ্গনা জানিয়েছেন যোগা তাঁকে অনেকটা সাহায্য করেছে এই বাজে অভ্যেস থেকে বেরিয়ে আসতে। সঙ্গে নিজের উপরেও জোর দিয়েছিলেন তিনি। যাতে খারাপ অভ্যেস থেকে বের হতে পারেন। সাথে খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করেছিলেন বলেও জানান কঙ্গনা।

বন্ধ করুন