বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘যৌন সম্পর্ক হয়েছে'? ইনস্টাগ্রামে এই প্রশ্নের মোক্ষম জবাব দিলেন ঐন্দ্রিলা সেন
সপাট জবাব দিলেন অঙ্কুশের বান্ধবী
সপাট জবাব দিলেন অঙ্কুশের বান্ধবী

‘যৌন সম্পর্ক হয়েছে'? ইনস্টাগ্রামে এই প্রশ্নের মোক্ষম জবাব দিলেন ঐন্দ্রিলা সেন

  • দীর্ঘ এক দশক ধরে প্রেম সম্পর্কে আবদ্ধ অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা। 

নিজের লাভ লাইফ নিয়ে বরাবরই ভীষণ খোলামেলা ঐন্দ্রিলা সেন। দীর্ঘ দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার সঙ্গে প্রেম সম্পর্কে আবদ্ধ টেলিভিশনের ‘ফাগুন বউ’। ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর করোনাকালে একসঙ্গে থাকতেও শুরু করেছেন তাঁরা। মাসখানেক আগেই নতুন ফ্ল্যাটে শিফট করেছেন দম্পতি। তবে মাঝেমধ্যেই এই সম্পর্কের জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু বাঁকা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে ঐন্দ্রিলাকে। তবে ছেড়ে কথা বলবার পাত্রী নন ঐন্দ্রিলাও। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় এক নেট নাগরিককে শালীনতার উপযুক্ত পাঠ পড়ালেন ঐন্দ্রিলা। ইনস্টাগ্রামে ভীষণ অ্যাক্টিভ নায়িকা, মাঝেমধ্যেই ইনস্টাগ্রামে ‘প্রশ্নোত্তর’ পর্বে ভক্তদের নানান প্রশ্নের জবাব দেন অভিনেত্রী। মঙ্গলবার রাত থেকেই তেমনটা করেছিলেন তিনি। তবে এক নেটিজেন আচমকাই কুরুচিকর এবং অশালীন প্রশ্ন করে বসেন অঙ্কুশের গার্লফ্রেন্ডকে। এক জনৈক প্রশ্ন করেন- ‘সেক্স করেছো’? না এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাননি ঐন্দ্রিলা। বরং পালটা জবাব দিয়েছেন।

মোক্ষম জবাব
মোক্ষম জবাব

ওই ব্যক্তির প্রশ্নের স্ক্রিনশট তুলে ধরে ঐন্দ্রিলা লেখেন- ‘দয়া করে এই ব্যক্তিকে কেউ সাহায্য করুন। উনি  নৈরাশ্যে ভুগছেন’। দু-দিন আগে একই ধরণের কটূক্তির মুখে পড়েছিলেন টেলিভিশনের অপর নায়িকা শ্রুতি দাস। দেশের মাটির নোয়া-আরও একধাপ এগিয়ে সেই ট্রোলারকে বলেছিলেন-  ‘আমি জানি না তবে ভাই তুমি তোমার মাকে একবার জিজ্ঞেস করো, বড়রাই প্রথমেই বলুক’।

তবে এই প্রশ্নোত্তর পর্বে বাঁধা প্রশ্ন যেমন এসেছে তেমনই ঐন্দ্রিলার ফ্যানেরা তাঁকে ভালোবাসাতেও ভরিয়ে দিয়েছেন। সেখানে বারেবারে ঘুরে ফিরে এসেছেন অঙ্কুশ।

ঐন্দ্রিলার জবাব
ঐন্দ্রিলার জবাব

এমনকি ঐন্দ্রিলাকে প্রশ্ন করতে ছাড়েনি অঙ্কুশও। দুষ্টুমি করে প্রেমিকাকে তিনি ইনস্টাগ্রামে লিখে পাঠান- ‘রেডি নই, চল ভাগ’। এই দেখে ঐন্দ্রিলাও জানাতে ভোলেননি ‘ঈর্ষান্বিত’ হয়ে এই কথা বলছেন অঙ্কুশ। অন্যদিকে অনুরাগীরা যখন জানতে চায় বিয়েটা কবে করছেন তাঁরা? ঐন্দ্রিলা সপাটে বলেন, ‘অন্তত অতিমারীটা কাটুক মা আমার’। 

দিন কয়েক আগেই অঙ্কুশও এক সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন, অতিমারীর আবহ না থাকলে চলতি বছরেই সাত পাকে বাঁধা পড়তেন তাঁরা, তবে এখন প্ল্যান পিছোতে বাধ্য হচ্ছেন। 

বন্ধ করুন