সারা দিনের কাজের চাপ। তার মধ্যে একটু হেসে নেওয়া খুব দরকারি। তাই কাজের ফাঁকে পড়ে নিন দিনের সেরা ৫ জোকস। পাঠিয়ে দিন অন্যদের। তাঁদের একটু হাসতে সাহায্য করুন।
১। পলাশ: হ্যাঁ রে, তোর বাড়ির সবাই কি তোর মতো কিপটে?
রাজীব: ঠিক কিপটে না, একটু হিসেবি।
পলাশ: কেমন সেটা?
রাজীব: যেমন ধর, আমার কাকা গত পরশু রাস্তায় একটা কাশির সিরাপের বোতল কুড়িয়ে পেল। তা এমন দামি ওষুধ তো নষ্ট করা যায় না! তাই কাকা কাল রাতভর বৃষ্টিতে ভিজল। আজ সকাল থেকে কাশি, এখন ওষুধটা কাজে লাগছে।
(আরও পড়ুন: একটু হাসুন, পড়ে নিন দিনের সেরা ৫ জোকস! অন্যকে ফরোয়ার্ড করে মনও জিতুন)
২। অরুণাভ খুব লাজুক। বাসর রাতে লজ্জা আরও বেড়েছে। খুব দ্বিধাতেই পড়ে গিয়েছে সে! স্ত্রীর সঙ্গে কীভাবে কথা শুরু করবে? আধ ঘণ্টা অনেক চিন্তাভাবনা করল। তার পরে হুট করেই স্ত্রীকে বলল: আপনার বাড়ির লোকেরা কি জানেন?
স্ত্রী: কী জানবেন?
অরুণাভ: আজকে যে আপনি এখানে থাকবেন।
(আরও পড়ুন: বাছাই করা ৫ জোকস, নিজে হাসুন, অন্যকে পাঠিয়ে হাসতে সাহায্য করুন)
৩। চোর: বিচারক সাহেব, আমি চুরি করেছিলাম ঠিকই, কিন্তু সেটা করেছিলাম ঠাট্টা হিসেবে।
বিচারক: কিন্তু তুমি তো চুরির জিনিস ত্রিশ মাইল দূরে লুকিয়ে রেখেছিলে।
চোর: সেটাও ছিল ঠাট্টা।
বিচারক: এ কারণে তোমার জেল হল। এটাকেও ঠাট্টা হিসেবে নাও।
(আরও পড়ুন: দিনের সেরা ৫ জোকস! পড়ে নিজে হাসুন, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে হয়ে যান চুটকি-চ্যাম্প)
৪। প্রথম বন্ধু: কী রে, গত পরীক্ষায় ইংরেজিতে হাইয়েস্ট মার্কস পেলি, এবার ফেল! ব্যাপারটা কী?
দ্বিতীয় বন্ধু: আর বলিস না, এবারে ইংরেজি পরীক্ষার দিন ভুল করে পকেটে বিজ্ঞান বই নিয়ে গিয়েছিলাম।
৫। শিক্ষক: পল্টু,বল তো সন্ধি কাকে বলে?
পল্টু: স্যর, উত্তরের প্রথম অংশটা জানি না। শেষের অংশটা জানি।
শিক্ষক: মানে? আচ্ছা বল। শেষের অংশটাই বল তাহলে।
পল্টু: স্যর, শেষের অংশটা হল ‘…তাকে সন্ধি বলে’।