বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Calcium Deficiency Symptom: আপনার শরীরে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি আছে? বুঝতে পারবেন এই লক্ষণগুলি থেকে!
রক্তে ক্যালিয়ামের পরিমাণ অত্যধিক হারে কমে যাওয়াকে হাইপোক্যালশেমিয়া বলা হয়।
রক্তে ক্যালিয়ামের পরিমাণ অত্যধিক হারে কমে যাওয়াকে হাইপোক্যালশেমিয়া বলা হয়।

Calcium Deficiency Symptom: আপনার শরীরে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি আছে? বুঝতে পারবেন এই লক্ষণগুলি থেকে!

কম পরিমাণে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা বা উচ্চমাত্রায় ক্যালসিয়াম উপস্থিত এমন খাদ্যের প্রতি অসহনশীলতা একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে ব্যক্তির বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। আবার দীর্ঘদিন যদি শরীরে ক্যালশিয়ামের অভাব থাকে, তা হলে তা নিশ্চিতভাবেই আপনার স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিতে পারে। কারণ এর ফলে বাচ্চাদের মধ্যে রিকেট, বয়স্কদের মধ্যে অস্টিওপোরোসিস দেখা দিতে পারে। 

কম পরিমাণে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা বা উচ্চমাত্রায় ক্যালসিয়াম উপস্থিত এমন খাদ্যের প্রতি অসহনশীলতা একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর ক্যালশিয়ামের অভাবের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ ছাড়াও মহিলাদের মধ্যে হরমোনের পরিবর্তন বা কোনও জেনেটিক বিষয় ক্যালশিয়ামের স্তরকে প্রভাবিত করতে পারে।

তাই বার বার দাঁতের সমস্যা, ক্লান্তি, শুষ্ক ত্বক, পেশি ব্যথা হলে এ বিষয় সতর্ক হতে হবে এবং শীঘ্র শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়তে পারে। 

পুণের অ্যাপোলো ডায়গনস্টিকের কনসালটেন্ট প্যাথলজিস্ট ড: নিরঞ্জন নায়েক বলেন যে, ‘সাধারণত বাচ্চা ও বড়দের মধ্যে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দেয়, যা একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্যালসিয়াম এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ যা সুস্থ হাড়া ও দাঁতের জন্য জরুরি। স্নায়ু, পেশি ও হৃদযন্ত্রের সুষ্ঠু কার্যকরিতা বজায় রাখতেও এটি প্রয়োজনীয়।’

হাইপোক্যালসেমিয়া কী এবং এটি আপনার সুস্থতাকে কী ভাবে প্রভাবিত করে? 

রক্তে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অত্যধিক হারে কমে যাওয়াকে হাইপোক্যালশেমিয়া বলা হয়। এখানে ক্যালশিয়ামের ঘাটতির লক্ষণগুলি চিহ্নিত করা হল—

১. হাত ও পায়ে অসাড়তা ও টিঙ্গলিং ক্যালসিয়ামের অভাবের দিকে ইঙ্গিত করে।

২. ক্যালসিয়ামের স্তর কমলে দুর্বলতা দেখা দেয়। এর ফলে ব্যক্তি সবসময় ক্লান্ত বোধ করবেন এবং সারাদিন কাজ করার সামর্থ্য অর্জন করবেন না।

৩. কারও কারও আবার পেশিতে ক্র্যাম্প, স্প্যাসম দেখা দিতে পারে। আবার পেশি দুর্বলও হতে পারে। কারণ ক্যালসিয়ামের অভাবে পেশি স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে পারে না।

৪. হাইপোক্যালশেমিয়ার কারণে খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। কারণ ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মস্তিষ্ককে অতিরিক্ত উত্তেজিত করে তোলে।

৫. ক্যালসিয়ামের ঘাটতির ফলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যেতে পারে। একে অস্টিওপোরোসিস বলা হয়। এর ফলে হাড় জীর্ণ হয়ে পড়ে এবং ফ্র্যাকচারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

৬. ক্যালসিয়ামের স্তর কম হলে ত্বকে ময়শ্চার ও স্বাস্থ্যকর pH বজায় রাখা যায় না। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

৭. মাড়ির রোগ ও দাত ক্ষয় ক্যালসিয়াম অভাবের অন্যতম লক্ষণ।

৮. ক্যালসিয়ামের ঘাটতির ফলে বাচ্চাদের মধ্যে রিকেট হয়ে থাকে। যা হাড়কে ভঙ্গুর করে তোলে।

ে।

বন্ধ করুন