বলিউড দুনিয়ার সবথেকে চর্চিত একজন পরিচালক হলেন করন জোহর (Karan Johar)। তাঁর তৈরি সিনেমা সব সময়ই থাকে আলোচনার শীর্ষে। তবে এবার করনের একটি ছবি সামনে উঠে আসায় রীতিমতো চমকে গিয়েছেন সকলে। এতটা রোগা কীভাবে হলেন তিনি? অসুস্থ নাকি রোগা হওয়ার ওষুধ খাচ্ছেন কিছু? প্রশ্ন উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।
সম্প্রতি কৌতুক শিল্পী হর্ষ গুজরাল তাঁর ইনস্টাগ্রামের পাতায় পরিচালকের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। ছবির মধ্যে পরিচালককে এতটাই রোগা লাগছিল যে দেখে অনেকেই তাঁকে অসুস্থ বলে দাবি করেন। আবার কেউ কেউ দাবি করেন করন ওজেম্পিক (Ozempic) ব্যবহার করে রোগা হয়েছেন।
করন জোহরের প্রতিক্রিয়া
করন জোহরের উদ্দেশ্যে করা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর একটি মন্তব্য হাইলাইট করে অভিনেত্রী মহীপ কাপুর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেন যার উত্তরে পরিচালক লেখেন, ব্যায়াম আর ভালো খাওয়া দাওয়া করে যে এত রোগা হলাম, তার তো কোনও ক্রেডিট আমাকে দেওয়াই হলো না!! সব ক্রেডিট চলে গেল ওজেম্পিকের কাছে। পরিচালকের এই উত্তরে বোঝাই যায়, ওজেম্পিক ব্যবহার করে তিনি রোগা হননি।
(আরও পড়ুন: গরম কমছে, এই সময়ে ফ্রিজের তাপমাত্রা কত রাখবেন? নিয়ম না জানলেই পুড়বে গাদা কারেন্ট)
ওজেম্পিক ড্রাগ কী?
অ্যামি সুমার থেকে শুরু করে এলাম মাস্ক, এমন অনেক সেলিব্রিটি রয়েছেন যারা দ্রুত ওজন কমানোর জন্য এই ড্রাগ ব্যবহার করেছেন এবং খোলামেলা আলোচনা করেছেন এই ড্রাগ নিয়ে। এটি মূলত একটি ইনজেকশন যা সপ্তাহে একদিন দিতে হয়। উরু বা বাহুতে এই ইনজেকশন দেওয়া হয়। এটি একটি ক্ষুধা নিবারণকারী ড্রাগ।
![Karan Johar Karan Johar](https://images.hindustantimes.com/bangla/img/2024/10/21/original/WhatsApp_Image_2024-10-21_at_5.55.59_PM_1729517415887.jpeg)
এই ড্রাগ ব্যবহার করলে রক্তে শর্করার মান নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো সমস্যার ঝুঁকি কমে যায়। তবে গর্ভবতী মহিলা বা শিশুদের এই ইনজেকশন দেওয়া যায়। এই ওষুধ বাড়ির পোষ্য প্রাণীদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত।
(আরও পড়ুন: বেশি আকর্ষণীয়, অতিরিক্ত হাসে! আজব কারণে নিয়োগ বাতিল এই প্রার্থীদের)
এই ওষুধটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে হতে পারে পেট খারাপ, অম্বল, ফুসকুড়ি, গ্যাস, ফোলা ভাব, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, ডায়রিয়া, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তির মতো সমস্যা।
প্রসঙ্গত, খুব প্রয়োজন না হলে এই ড্রাগ ব্যবহার করতে বারণ করেন চিকিৎসকরা। স্থূলতা কমানোর জন্য অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত। পরিমাপমতো খাবার এবং ব্যায়াম করলেই অতিরিক্ত স্থূলতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কোনও ওষুধ প্রয়োগ না করেই।