বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > New Research on Covid: এ ঘরে আপনি, পাশের ঘরে কোভিড রোগী, ঘর থেকে না বেরিয়েও আক্রান্ত হতে পারেন করোনায়
হোটেলের এক ঘর থেকে অন্য ঘরে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে কোভিডের জীবাণু। (ফাইল ছবি)
হোটেলের এক ঘর থেকে অন্য ঘরে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে কোভিডের জীবাণু। (ফাইল ছবি)

New Research on Covid: এ ঘরে আপনি, পাশের ঘরে কোভিড রোগী, ঘর থেকে না বেরিয়েও আক্রান্ত হতে পারেন করোনায়

  • সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ ছড়ানো নিয়ে নতুন তথ্য হাতে এসেছে বিজ্ঞানীদের। দেখা যাচ্ছে, ঘর থেকে না বেরিয়েও পাশের ঘরের কোভিড রোগীর থেকে সংক্রমিত হতে পারেন যে কেউ। 

করোনা থেকে বাঁচতে বা অন্যদের বাঁচাতে আইসোলেশনের প্রক্রিয়া তো চলছে। কিন্তু সেটাও কি ১০০ শতাংশ নিরাপদ? নাকি আইসোলেশনে থেকেও এক জনের থেকে অন্যদের করোনা ছড়াতে পারে? তেমনই বলছে হালের একটি সমাীক্ষা।

নিউজিল্যান্ডে এমনই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন বিজ্ঞানীরা। হোটেলে আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা হয়েছিল অনেককে। সেখানে একজনের থেকে অন্যজন সংক্রমিত হয়েছেন। যদিও সেই দু’জনের কখনও দেখা হয়নি। এমনকী দু’জনের কেউই ঘর থেকেও বেরোননি। সিসিটিভি ক্যামেরায় দৃশ্য থেকে এই কথা প্রমাণিত হয়েছে। তবু একজনের থেকে অন্যজন করোনার জীবাণুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা ডেল্টা রূপটি যখন মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল, সেই সময়ে ফিলিপিন্স থেকে একজন কোভিড আক্রান্ত নিউজিল্যান্ডে পৌঁছোন। তাঁকে একটি হোটেলে আইসোলেশনে রাখা হয়। পরে আরব থেকেআসা আরও চারজনকে ওই হোটেলের অন্য চারটি ঘরে রাখা হয়। তাঁরা কোভিডে আক্রান্ত ছিলেন না। কিন্তু পরে দেখা যায়, ঘর থেকে না বেরিয়েও তাঁরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, ভাইরাস নিয়ে পরীক্ষা করে দেখা যায়, ফিলিপিন্স থেকে আসা ব্যক্তির থেকেই অন্য চার জন আক্রান্ত হয়েছেন।

কী করে এমন ঘটনা ঘটল? 

বিজ্ঞানীরা বলছেন, দরজার তলার সামান্য ফাঁক দিয়েও ভাইরাসটি ঢুকতে পারে। প্রত্যেক ঘরের জন্য আলাদা স্বাস্থ্যকর্মীর বন্দোবস্ত ছিল। তাঁরাই শুধুমাত্র ওই ঘরে দিনের মাথায় একবার ঢুকতেন-বেরোতেন। তাঁদের সঙ্গেই বাতাসের মাধ্যমে ঢুকেছে করোনাভাইরাস। এমনই আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের।

বিজ্ঞানীদের মত, দরজা বন্ধ থাকলেও তার তলার সামান্য ফাঁক দিয়েও ভাইরাস চলাচল করতে পারে। হোটেলের মতো জায়গায় করিডরে এই ভাইরাস বাতাসে উড়তে পারে। সেখান থেকেই কোনও সুস্থ লোকের ঘরে সহজেই প্রবেশ করতে পারে একই রকম ভাবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার রীতিমতো বেশি। তাই ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে বসে থাকলেই যে এ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে, এমনটা নাও হতে পারে। এমনই বলছেন বিজ্ঞানীরা। আর সেই কারণে বেশি মাত্রায় জোর দেওয়া হচ্ছে টিকা নেওয়ায়

বন্ধ করুন