বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Diabetic Retinopathy: সুগারের জন্য হারিয়ে যেতে পারে চোখের দৃষ্টি! দেখুন কী করবেন ও কীভাবে বুঝবেন
ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির ফলে হারিয়ে যেতে পারে দৃষ্টি।
ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির ফলে হারিয়ে যেতে পারে দৃষ্টি।

Diabetic Retinopathy: সুগারের জন্য হারিয়ে যেতে পারে চোখের দৃষ্টি! দেখুন কী করবেন ও কীভাবে বুঝবেন

  • দেখুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও সুস্থ থাকতে কী করবেন। 

ডায়াবেটিসের রোগীরা নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হন। এমনিতেই ডাক্তারি মতে, ডায়াবেটিসকে সায়লেন্ট কিলার হিসেবে ধরা হয়। সঠিক সময়ে সুগার নিয়ন্ত্রণ না করলে, অথবা সুগারকে অদেখা করে গেলে নানা শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। যার মধ্যে অন্যতম হল দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলা। 

এইমস ন্যাশনাল ব্লাইন্ডনেস অ্যান্ড ভিস্যুয়াল ইমপ্যায়রমেন্ট সার্ভে ইন্ডিয়ার ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, আমাদের দেশে পঞ্চাশোর্ধ মানুষদের মধ্যে ১.৯৯ মানুষ অন্ধত্বের সমস্যায় ভোগেন। আর এর মধ্যে বেশিরভাগ কেসেই সঠিক সময়ে চিকিৎসা হলে অন্ধ হওয়ার হাত থেকে আটকানো সম্ভব। আর এর মধ্যে অন্যতম হল ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি। এক্ষেত্রে ডায়াবেটিস সরাসরি প্রভাব ফেলে রেটিনার ওপর। 

এই প্রসঙ্গে ডাক্তার অনিরুদ্ধ মাইতি জানান, ‘যদি পরিবারে সুগারের ইতিহাস থাকে তাহলে ৬ মাস পর পর ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাতে হবে। এমনকী, সুগারের কোনও লক্ষণ না থাকলেও। বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি অন্ধত্বর একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই যত জলদি ধরা পড়ে তত ভালো।’

ডাক্তার বিশাল আগরওয়াল জানান, ‘অন্ধ হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ কেসে চিকিৎসা সম্ভব। তাই চোখের পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা খুব জরুরি। সাধারণত চশমা না পরা, চোখের ছানি, গ্লুকমা, রেটিনায় সমস্যা এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি খুব সাধারণ কিছু সমস্যা যা থেকে পরে অন্ধত্ব দেখা দেয়। তবে সময়মতো রোগ ধরা পড়লে আর চিকিৎসা হলে অন্ধ হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচা সম্ভব। ডায়াবেটিসের রোগীদের তাই নিয়ম করে চোখ দেখাতে হবে।’

ডাক্তার পূনম জৈন আবার জানালেন, ‘ডায়াবেটিক হলে রুটিন মেনে চোখের ডাক্তারের কাছে আসতেই হবে। তবে একটু চিন্তার ব্যাপার হল ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি। এক্ষেত্রে অনেকসময় বাড়াবাড়ি হওয়ার আগে রোগী লক্ষণগুলো বুঝতেই পারেন না।’

কখন চোখের ডাক্তারের কাছে যাবেন?

ঝাপসা দেখলে। 

চোখের সামনে কোনও কালো স্পট দেখতে পেলে। 

সোজা লাইল যদি ঢেউ খেলানো বা বাঁকা দেখায়। 

দূরের জিনিস দেখতে সমস্যা হয়। 

রঙের পরিবর্তন বুঝতে পারেন। 

চিকিৎসা

সবার আগে দরকার গোড়াতেই রোগ ধরা পড়া ও তার সঠিক চিকিৎসা। এমন অনবেক চিকিৎসা পদ্ধতি আছে যা দৃষ্টি খোয়া যাওয়ার সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারে। ভারতে ফোটোকোঅ্যাগুলেশন, অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইঞ্জেকশন, অস্ত্রোপচার, লেসার ট্রিটমেন্ট ও অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইঞ্জেকশনের যৌথ ব্যবহারের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। সঙ্গে মানতে হবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ভালো থাকার জন্য। 

বন্ধ করুন