বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > বাচ্চার উচ্চতা বৃদ্ধিতে সমস্যা? দেরি না-করে খাদ্য তালিকায় যোগ করুন এ সব খাবার

বাচ্চার উচ্চতা বৃদ্ধিতে সমস্যা? দেরি না-করে খাদ্য তালিকায় যোগ করুন এ সব খাবার

পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার না-পেলে বাচ্চাদের মধ্যে নানান ধরণের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। এগুলির মধ্যে অন্যতম হল উচ্চতা না-বাড়া। তাই ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাদের সঠিক পুষ্টির বিষয়টি সুনিশ্চিত করা উচিত। হাইট বাড়ানোর জন্য কোন ধরণের খাবার খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা উচিত, তা জেনে নিন।

ডিম- ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশানের তরফে (এনসিবিআই) পাওয়া একটি সমীক্ষার রিপোর্টে জানা গিয়েছে, যে বাচ্চারা ৬ মাস পর্যন্ত দিনে ২টি ডিম খেয়েছে, তাঁদের উচ্চতা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাই বাচ্চাদের হাইট বাড়াতে ডিম উপযোগী। তবে এ বিষয় আরও গবেষণা চলছে। উল্লেখ্য, প্রোটিনের পাশাপাশি ডিমে ভিটামিন থাকে। আবার এতে রিপোফ্লোবিন উপস্থিত থাকে, যা হাইট বাড়াতে সাহায্য করে।
1/13ডিম- ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশানের তরফে (এনসিবিআই) পাওয়া একটি সমীক্ষার রিপোর্টে জানা গিয়েছে, যে বাচ্চারা ৬ মাস পর্যন্ত দিনে ২টি ডিম খেয়েছে, তাঁদের উচ্চতা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাই বাচ্চাদের হাইট বাড়াতে ডিম উপযোগী। তবে এ বিষয় আরও গবেষণা চলছে। উল্লেখ্য, প্রোটিনের পাশাপাশি ডিমে ভিটামিন থাকে। আবার এতে রিপোফ্লোবিন উপস্থিত থাকে, যা হাইট বাড়াতে সাহায্য করে।
দুধ- বাড়ন্ত বাচ্চাদের জন্য হাড়ের উন্নতি ও বৃদ্ধি আবশ্যক। হাড়ের মজবুতি ও বৃদ্ধির জন্য দুধের জুড়ি মেলা ভার। আবার দুধকে পূর্ণ আহার বলা হয়ে থাকে। দুধে ভরপুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকে। হাড়, হাড়ের ঘণত্ব বৃদ্ধিতে দুধ সাহায্য করে। তাই বাড়ন্ত বাচ্চাদের খাদ্যতালিকায় দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার যুক্ত করতে পারেন।
2/13দুধ- বাড়ন্ত বাচ্চাদের জন্য হাড়ের উন্নতি ও বৃদ্ধি আবশ্যক। হাড়ের মজবুতি ও বৃদ্ধির জন্য দুধের জুড়ি মেলা ভার। আবার দুধকে পূর্ণ আহার বলা হয়ে থাকে। দুধে ভরপুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকে। হাড়, হাড়ের ঘণত্ব বৃদ্ধিতে দুধ সাহায্য করে। তাই বাড়ন্ত বাচ্চাদের খাদ্যতালিকায় দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার যুক্ত করতে পারেন।
সোয়াবিন- কোনও বাচ্চার হাইট না-বাড়লে, তাঁদের খাদ্য তালিকায় সোয়াবিন অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রোটিন সমৃদ্ধ সোয়াবিন হাড় ও মাংসপেশী তৈরি ও মজবুত করতে সাহায্য করে। একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে, উচ্চমাত্রায় প্রোটিন যুক্ত খাবার বাচ্চাদের ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আবার এতে ফাইবার, ভিটামিন ও কার্বোহাইড্রেটও থাকে। অ্যানিমিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সোয়াবিন সক্ষম। আবার সোয়াবিনের দুধ দিয়ে তৈরি টোফুও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধি করতে পারে।
3/13সোয়াবিন- কোনও বাচ্চার হাইট না-বাড়লে, তাঁদের খাদ্য তালিকায় সোয়াবিন অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রোটিন সমৃদ্ধ সোয়াবিন হাড় ও মাংসপেশী তৈরি ও মজবুত করতে সাহায্য করে। একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে, উচ্চমাত্রায় প্রোটিন যুক্ত খাবার বাচ্চাদের ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আবার এতে ফাইবার, ভিটামিন ও কার্বোহাইড্রেটও থাকে। অ্যানিমিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সোয়াবিন সক্ষম। আবার সোয়াবিনের দুধ দিয়ে তৈরি টোফুও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধি করতে পারে।
মাংস- প্রোটিন শরীরের হাড় ও মাংসপেশী তৈরি ও সুস্থ রাখতে কার্যকর। এর ফলে বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধিও ত্বরান্বিত হয়। মাংস প্রোটিনের উল্লেখযোগ্য উৎস। তাই হাইট বাড়ানোর জন্য মাংস খাওয়া উচিত। অবশ্য এই বিষয়টিও গবেষণাধীন।
4/13মাংস- প্রোটিন শরীরের হাড় ও মাংসপেশী তৈরি ও সুস্থ রাখতে কার্যকর। এর ফলে বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধিও ত্বরান্বিত হয়। মাংস প্রোটিনের উল্লেখযোগ্য উৎস। তাই হাইট বাড়ানোর জন্য মাংস খাওয়া উচিত। অবশ্য এই বিষয়টিও গবেষণাধীন।
লিগামস- ব্ল্যাক বিন, পিন্টো বিন, রাজমার মতো লিগামসে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম ফাইবার, আয়রন, ভিটামিন বি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এটি বাচ্চাদের শরীরের শক্তি জোগাতে ও হার্ট মজবুত রাখতে সাহায্য করে। এনসিবিআই-য়ে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় রিপোর্ট অনুযায়ী প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই এ জাতীয় খাবার অবশ্যই বাচ্চাদের খাদ্য তালিকায় অনুর্ভুক্ত করুন।
5/13লিগামস- ব্ল্যাক বিন, পিন্টো বিন, রাজমার মতো লিগামসে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম ফাইবার, আয়রন, ভিটামিন বি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এটি বাচ্চাদের শরীরের শক্তি জোগাতে ও হার্ট মজবুত রাখতে সাহায্য করে। এনসিবিআই-য়ে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় রিপোর্ট অনুযায়ী প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই এ জাতীয় খাবার অবশ্যই বাচ্চাদের খাদ্য তালিকায় অনুর্ভুক্ত করুন।
সবুজ শাকসবজি- বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টসও প্রয়োজনীয়। তাই মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টসের চাহিদা পূরণের জন্য শাকসবজি খাওয়ান।। পালক, বাধাকপি, কলমি শাকের মতো শাকপাতাযুক্ত সবজি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। যেমন পালকে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন, ক্যালশিয়াম, সোডিয়াম, ক্লোরিন, ফসফরাস, মিনারেল, প্রোটিন, ভিটামিন এ এবং সি থাকে। এর ফলে হাড় মজবুত হয় ও উচ্চতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
6/13সবুজ শাকসবজি- বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টসও প্রয়োজনীয়। তাই মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টসের চাহিদা পূরণের জন্য শাকসবজি খাওয়ান।। পালক, বাধাকপি, কলমি শাকের মতো শাকপাতাযুক্ত সবজি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। যেমন পালকে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন, ক্যালশিয়াম, সোডিয়াম, ক্লোরিন, ফসফরাস, মিনারেল, প্রোটিন, ভিটামিন এ এবং সি থাকে। এর ফলে হাড় মজবুত হয় ও উচ্চতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাদাম- নানান ধরণের বাদামে উপস্থিত ভিটামিন ও মিনারেল উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এতে হেল্দি ফ্যাট ছাড়াও ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। এ ছাড়াও এতে ভিটামিন ই থাকে, যা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে দ্বিগুণ হয়ে যায়। কাঠবাদাম, পেস্তা বা আখরোট বাচ্চাদের তালিকায় অবশ্যই রাখুন। বাদাম হাড় মজবুত করে।
7/13বাদাম- নানান ধরণের বাদামে উপস্থিত ভিটামিন ও মিনারেল উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এতে হেল্দি ফ্যাট ছাড়াও ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। এ ছাড়াও এতে ভিটামিন ই থাকে, যা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে দ্বিগুণ হয়ে যায়। কাঠবাদাম, পেস্তা বা আখরোট বাচ্চাদের তালিকায় অবশ্যই রাখুন। বাদাম হাড় মজবুত করে।
নানান ধরণের বীজ- অধিকাংশ বীজে ক্যালসিয়াম-সহ অন্যান্য মিনারেলও থাকে। যেমন- চিয়া বীজে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এগুলি আবার ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এ ছাড়া সাদা তিলও হাড় মজবুত করতে উপযোগী। এনসিবিআই-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, কিশোরাবস্থায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে ছেলেদের দ্রুত উচ্চতা বৃদ্ধি হয়। 
8/13নানান ধরণের বীজ- অধিকাংশ বীজে ক্যালসিয়াম-সহ অন্যান্য মিনারেলও থাকে। যেমন- চিয়া বীজে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এগুলি আবার ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এ ছাড়া সাদা তিলও হাড় মজবুত করতে উপযোগী। এনসিবিআই-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, কিশোরাবস্থায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে ছেলেদের দ্রুত উচ্চতা বৃদ্ধি হয়। 
শস্য- নানান ধরণের শস্যে অধিক পরিমাণে ক্যালশিয়াম না-থাকলেও এতে ভিটামিন কে ও সি, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক ও আয়রন থাকে। হাড়ের মজবুতির জন্য এই সমস্ত উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খোসা সমেত শস্য ফাইবারের উল্লেখযোগ্য উৎস। আবার কিছু কিছু শস্য যেমন ওটস, বার্লে, এমনকি দালিয়া ও কিউওনা-র মতো সিউডোসিরিয়াল ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামে ভরপুর।
9/13শস্য- নানান ধরণের শস্যে অধিক পরিমাণে ক্যালশিয়াম না-থাকলেও এতে ভিটামিন কে ও সি, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক ও আয়রন থাকে। হাড়ের মজবুতির জন্য এই সমস্ত উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খোসা সমেত শস্য ফাইবারের উল্লেখযোগ্য উৎস। আবার কিছু কিছু শস্য যেমন ওটস, বার্লে, এমনকি দালিয়া ও কিউওনা-র মতো সিউডোসিরিয়াল ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামে ভরপুর।
ফল ও ফলের রস- হাড়ের বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য মিনারেল কার্যকরী। এ সবই আবার নানান ধরণের ফলে পাওয়া যায়। কমলালেবু, অ্যাপ্রিকট, কিউয়ি, আনারস ইত্যাদি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। তাই বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য এই সমস্ত ফলের পাশপাশি অন্যান্য নানান ধরণের ফলও তালিকাভুক্ত করুন।
10/13ফল ও ফলের রস- হাড়ের বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য মিনারেল কার্যকরী। এ সবই আবার নানান ধরণের ফলে পাওয়া যায়। কমলালেবু, অ্যাপ্রিকট, কিউয়ি, আনারস ইত্যাদি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। তাই বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য এই সমস্ত ফলের পাশপাশি অন্যান্য নানান ধরণের ফলও তালিকাভুক্ত করুন।
মাছ- মাছ প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং এতে সম্পৃক্ত ফ্যাটও কম পরিমাণে থাকে। প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় মাছ উচ্চতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক।
11/13মাছ- মাছ প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং এতে সম্পৃক্ত ফ্যাটও কম পরিমাণে থাকে। প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় মাছ উচ্চতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক।
অশ্বগন্ধা- ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ অশ্বগন্ধা। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী অশ্বগন্ধায় শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়ক উপাদান উপস্থিত থাকে।
12/13অশ্বগন্ধা- ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ অশ্বগন্ধা। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী অশ্বগন্ধায় শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়ক উপাদান উপস্থিত থাকে।
বেরি- ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, রাসপবেরি— এ সবই পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। এতে উপস্থিত ভিটামিন সি কোষ উন্নত করে ও নানান কলা মেরামতি করতে সহায়ক। ভিটামিন সি আবার কলেজনের সংশ্লেষণ বৃদ্ধি করে। এটি এমন এক ধরণের প্রোটিন যা শরীরে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
13/13বেরি- ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, রাসপবেরি— এ সবই পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। এতে উপস্থিত ভিটামিন সি কোষ উন্নত করে ও নানান কলা মেরামতি করতে সহায়ক। ভিটামিন সি আবার কলেজনের সংশ্লেষণ বৃদ্ধি করে। এটি এমন এক ধরণের প্রোটিন যা শরীরে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
অন্য গ্যালারিগুলি