বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > New Covid-19 Guidelines For Children: কোন বয়সের শিশুরা মাস্ক পরতে পারবে, কারা পাবে স্টেরয়েডের চিকিৎসা, ঘোষণা সরকারের
শিশুদের জন্য নতুন কোভিড-বিধি ঘোষণা। (ফাইল ছবি)
শিশুদের জন্য নতুন কোভিড-বিধি ঘোষণা। (ফাইল ছবি)

New Covid-19 Guidelines For Children: কোন বয়সের শিশুরা মাস্ক পরতে পারবে, কারা পাবে স্টেরয়েডের চিকিৎসা, ঘোষণা সরকারের

  • শিশুদের জন্য নতুন কোভিড-বিধি ঘোষণা সরকারের। কী কী আছে এই নতুন নীতিতে, জেনে নিন।

১৮ বছরের নীচে যারা, তাদের কোভিড-বিধির ক্ষেত্রে বদল আনা হল কেন্দ্র সরকারের তরফে। ঘোষণা করা হল নতুন কিছু নিয়ম। বদল হল পুরনো কয়েকটি নিয়মে।

নতুন এই নীতিতে বলে দেওয়া হল, ১৮ বছরের নীচে যারা, তাদের চিকিৎসায় antivirals বা monoclonal antibodies প্রয়োগ করা যাবে না। কোভিড বাড়াবাড়ি জায়গায় গেলেও এই ওষুধের প্রয়োগ হবে না বলে জানানো হল। স্টরেয়েড প্রয়োগ করা হলেও ধীরে ধীরে তার মাত্রা কমাতে হবে, এটিও বলে দেওয়া হয়েছে এখানে। 

ওমিক্রন নিয়ে কেন্দ্রের কোভিড বিশেষজ্ঞরা একটি বৈঠকে বসেন। তার পরেই এই ঘোষণা।

এক ঝলকে দেখে নিন মূল কী কী বলা হয়েছে এখানে:

  • ১৮ বছরের নীচে যারা, তাদের উপর antivirals বা monoclonal antibodies প্রয়োগ করা যাবে না।
  • ৫ বছরের নীচে যাদের বয়স, তাদের মাস্ক পরানো বাধ্যতামূলক নয়।
  • ৬ থেকে ১১ বছরের মধ্যে যারা, তাদের মাস্ক পরানো যেতে পারে অভিভাবকের উপস্থিতিতে এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে।
  • ১২-র উপরে বয়স হলে মাস্ক পরতে হবে প্রাপ্তবয়স্কদের মতো নিয়ম মেনে।
  • মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গহীনদের চিকিৎসায় antimicrobials ব্যবহার করা যাবে না।
  • হাসপাতালে ভর্তি হলেই শুধু স্টেরয়েড দিয়ে চিকিৎসা করা যাবে। তাও ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরে।
  • যেহেতু শিশুদের anticoagulants সচরাচর দেওয়া হয় না, তাই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের thrombosis-এর সমস্যা হচ্ছে কি না, তা নজরে রাখতে হবে চিকিৎসকদের।
  • যে সব শিশুদের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে না , চিকিৎসকের পরামর্শে তাদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে হবে।
  • যে সমস্ত শিশুদের শ্বাসের সমস্যা হয়েছে, যাদের কোভিড মাঝারি থেকে বাড়াবাড়ির আকার নিয়েছিল, তাদের প্রতি ভালো করে লক্ষ্য রাখতে হবে। দরকারে আবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।
  • যাদের কোভিডের কারণে কোনও অঙ্গে সমস্যা হয়েছে, তাদের দিকেও বিশেষ করে নজর দিতে হবে।

সরকারের তরফে বলা হয়েছে, এই গাইডলাইন মেনে চলার পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বন্ধ করুন