বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Home remedies for Regular Period: পিরিয়ড কি ঠিক ডেট-এ হচ্ছে না? এই ঘরোয়া টোটকাগুলি অনিয়মিত ঋতুস্রাবের সমস্যা মিটিয়ে দেবে
পিরিয়ড নিয়মিত রাখতে ঘরোয়া টোটকা

Home remedies for Regular Period: পিরিয়ড কি ঠিক ডেট-এ হচ্ছে না? এই ঘরোয়া টোটকাগুলি অনিয়মিত ঋতুস্রাবের সমস্যা মিটিয়ে দেবে

  • সপ্তাহে ৬ দিনের মধ্যে সময় ভাগ করে নিয়ে যদি ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট সময় রোজ যোগভ্যাস করেন তাহলে আপনার পিরিয়ড নিয়মের মধ্যে থাকতে পারে। এতে পিরিয়ডের সময় পেটের যন্ত্রণা যেমন কমে, তেমনই তা নিয়মিতও হয়।

রোজই মোবাইলে সেভ করা পিরিয়ডের আগের মাসের ডেট দেখে যাচ্ছেন, অথচ চলতি মাসে সেই ডেটে হচ্ছে না পিরিয়ড। এই সমস্যায় উদ্বেগ শুরু হতেই তা মানসিক ও শারীরিক দিকেও প্রভাব ফেলে দেয়। এদিকে সাধারণত দেখা যায় মহিলাদের পিরিয়ড ২৮ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে অনেকের পিরিয়ড ২ থেকে ৫ দিন মূল ডেটের থএকে আগে বা পরে হয়ে থাকে। তবে যদি পিরিয়ড তারও বেশি দেরিতে হতে থাকে, তাহলে তা চিন্তার। পর পর মাসে এমন ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ প্রয়োজনীয়।

দেরিতে পিরিয়ড হলে অনেক সময় ৩ থেকে ৫ দিনের জায়গায় ৭ দিন পর্যন্ত পিরিয়ড হতে পারে। যা শরীরের পক্ষে সেভাবে ভাল সংবাদ নয়। অনেকেরই পেটে ব্যথা হতে পারে। পেশীতে লাগতে পারে টান। পিরিয়ড যদি অনেকদিন ধরে অনিয়মিত হতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে সত্ত্বর যোগাযোগ করা উচিত। তবে পিরিয়ডকে নিয়মিত করতে ঘরোয়া টোটকাও খুবই কার্যকরী ফল দেয়। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন কোন ঘরোয়া টোটকা পিরিয়ডকে নিয়মিত করে।

-গবেষণা বলছে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খেলে মহিলাদের পিরিয়ড নিয়মিত হতে পারে। তা প্রজননেও উপকার দেয়। এছাড়াও ঘরোয়া ভাবে লেবু ও তেঁতুলও পিরিয়ডের ক্ষেত্রে কার্যকরী।

-ভিটামিন বি ও ডি যদি শরীর কম থাক তাহলে পিরিয়ডের সমস্যা হতে থাকে। ফলে এই দুই ভিটামিন রয়েছে এমন শাক ও সবজি খেতে হবে।

-পিরিয়ডের সময় যদি পেটব্যথা, বমিভাব হতে থাকে, বা অতিরিক্ত রক্তক্ষয় হয়, তাহলে দারচিনি খুবই কার্যকরি। পলিসিস্টিক ওভারি যাঁদের রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে দারচিনি পিরিয়ডের সময় দারুন কাজে দেয়। বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ত্বকে আনে জেল্লা! মধুতে শুধু মিশিয়ে খান এই মশলাটি

- আদাকে বলা হয় ন্যাচরাল পেইন কিলার। ফলে পিরিয়ডের অনিয়ম বা পিরিয়ডে পেটে ব্যথা যদি হতে থাকে তাহলে খুব বেশি করে আদা খান। রোজের খাবারে আদা রাখা জরুরি। পিরিয়ডের রঙ দেখে কি জানা যায় মহিলাদের শরীরের রোগ-জটিলতা থেকে বন্ধ্যত্বের লক্ষণ?

- পিরিয়ড নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওজন কমানো প্রয়োজন। ওজন যাতে না বাড়ে সেদিকে নজর রাখার পাশাপাশি ফাস্টফুড খাওয়ার প্রবণতাও কমিয়ে ফেলা উচিত।

-সপ্তাহে ৬ দিনের মধ্যে সময় ভাগ করে নিয়ে যদি ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট সময় রোজ যোগভ্যাস করেন তাহলে আপনার পিরিয়ড নিয়মের মধ্যে থাকতে পারে। এতে পিরিয়ডের সময় পেটের যন্ত্রণা যেমন কমে, তেমনই তা নিয়মিতও হয়।

-রোজ যদি যোগ করার সময় না থাকে, তাহলে হাঁটা চলা করুন। সেক্ষেত্রে নাইটওয়াক বা মর্নিংওয়াক জরুরি। এমনকি বাড়িতে যে কাজ করতে পরিশ্রম লাগে, সেই কাজও করতে পারেন।

বন্ধ করুন