বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Omicron and Type 1 Diabetes: ওমিক্রন নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে, এই সময়ে কোন কোন শিশুর বেশি করে খেয়াল রাখতে হবে
ওমিক্রন থেকে কোন কোন শিশুকে সাবধানে রাখতে হবে? (প্রতীকী ছবি)
ওমিক্রন থেকে কোন কোন শিশুকে সাবধানে রাখতে হবে? (প্রতীকী ছবি)

Omicron and Type 1 Diabetes: ওমিক্রন নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে, এই সময়ে কোন কোন শিশুর বেশি করে খেয়াল রাখতে হবে

  • ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই সময়ে কোনও কোনও শিশুর একটু বেশি করে যত্ন নিতে হবে। জেনে নিন তারা কারা।

ওমিক্রন আবার ফিরিয়ে এনেছে থার্ড ওয়েভ বা তৃতীয় ঢেউয়ের আতঙ্ক। অনেকেই মনে করছেন করোনার এই রূপ থার্ড ওয়েভ নিয়ে আসতে পারে। যদিও সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা এখনও বিজ্ঞানীরা দিতে পারছেন না। কিন্তু সবাইকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, যাঁদের কোমর্বিডিটির মতো সমস্যা রয়েছে, তাঁদের বেশি করে সাবধান হতে বলা হচ্ছে। কিন্তু শিশুরাই বা এই পরিস্থিতিতে কতটা নিরাপদ? সবাই নয়। কারও কারও দরকার বিশেষ নিরাপত্তা। কারা তারা?

করোনাভাইরাস শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের তুলনায় কম ক্ষতি করে। এমন ধারণা অনেক দিন ধরেই। কিন্তু ওমিক্রন যে একটু বেশি মাত্রায় ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে, সে কথা বলছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে যে সব শিশুরা টাইপ ওয়ান ডায়াবিটিস (Type 1 Diabetes Mellitus)-এ আক্রান্ত তাদের দিকে নজর দিতে হবে বেশি করে। এমনই মত চিকিৎসকদের।

পরিসংখ্যান বলছে, ভারতে প্রায় ৯৭ হাজার শিশুর মধ্যে কমবেশি এই সমস্যা রয়েছে। যদিও ১৫ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে থাকা কিশোর-কিশোরীদের টিকা দেওয়া শুরু হবে, তবুও Type 1 Diabetes-এ আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে সচেতন হতে হবে— এমনই পরামর্শ চিকিৎসকদের। 

বর্তমান পরিস্থিতিতে এই শিশু বা কিশোর-কিশোরীদের যত্নের জন্য কী করতে হবে? চিকিৎসক মিনাল ভোরা হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘দিনের মাথায় অন্তত ২ থেকে ৩ বার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপতে হবে। ৯৫ শতাংশের নীচে নেমে গেলেই চিকিৎসককে জানাতে হবে।’

এই সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। ফলে তাদের জন্য নির্দিষ্ট ওষুধগুলো নিয়ম করে খাওয়াতে হবে। 

খাদ্যাভ্যাস নিয়েও সচেতন হবে। তেমনই বলছেন চিকিৎসক। তাঁর কথায়, ‘চিকিৎসক যেমন যেমন বলে দেন, সেই পরিমাণ ফ্যাট, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটই খাওয়াতে হবে। তার পরিবর্তন হলে চলবে না।’ ‘যদি এই সব শিশুদের কারও শ্বাসকষ্ট, গন্ধ চলে যাওয়া, কাশি, মাথাব্যথার মতো সমস্যা হয়, তাহলেই চিকৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। কারণ এরা করোনায় আক্রান্ত হলে সমস্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।’ বলছেন তিনি।

বন্ধ করুন