বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Immunity building food- সর্দি-কাশি লেগেই থাকে? রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান এই সমস্ত খাদ্যবস্তু
শ্বেত রক্ত কণিকার কার্যকরিতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে মাশরুম।
শ্বেত রক্ত কণিকার কার্যকরিতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে মাশরুম।

Immunity building food- সর্দি-কাশি লেগেই থাকে? রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান এই সমস্ত খাদ্যবস্তু

  • বর্ষাকালও এর ব্যতিক্রম নয়। এমন মরশুমে বাচ্চা থেকে বয়স্ক সকলকে সতর্ক থাকতে হয়, না-হলে সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আবহাওয়ায় সামান্য পরিবর্তন হলেই ঘরে ঘরে সর্দি-কাশির সমস্যা দেখা দেয়। বর্ষাকালও এর ব্যতিক্রম নয়। এমন মরশুমে বাচ্চা থেকে বয়স্ক সকলকে সতর্ক থাকতে হয়, না-হলে সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথার সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিজের খাদ্য তালিকায় এমন কিছু খাবার অন্তর্ভূক্ত করা উচিত, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

১. গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টি- এই দুই চা-ই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। তবে দিনে এক-দুকাপ গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি পান করতে পারেন। কারণ বেশি পরিমাণে চা পান করলে ক্ষিদে কমতে পারে এবং খাবার-দাবারের প্রতি অনীহা জন্মাতে পারে।

২. কাঁচা রসুন- হাড়ে ব্যথার সমস্যা থাকলে খাদ্য তালিকায় কাঁচা রসুন অন্তর্ভূক্ত করুন। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হয়। কাঁচা রসুনে পর্যাপ্ত পরিমাণে এলিসিন, জিঙ্ক, সালফার, সেলেনিয়ম, ভিটামিন এ ও ই পাওয়া যায়।

৩. দই- অনেকে দুধ হজম করতে পারেন না এবং এর ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তবে দই এমন একটি দুগ্ধজাত খাদ্য দ্রব্য যা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত উপযোগী। পেটে জ্বালা হলে দই খেতে পারেন। দই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং পাচন তন্ত্র ভালো থাকতে সাহায্য করে।

৪. ওটস- ওটস ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ওটসে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়ল গুণ বর্তমান। প্রতিদিন ওটস খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়।

৫. ভিটামিন সি- সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষার জন্য ভিটামিন সি সবচেয়ে ভালো বিকল্প। লেবু ও আমলকিকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও কমলালেবু, মৌসম্বী, বাধাকপি, ধনেপাতা ও পালক শাকও নিজের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন।

৬. ডুমুর- এটি পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এটি শরীরের পিএইচ স্তরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত ফাইবার রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

৭. তিসি- তিসি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। নিরামিষাশীদের জন্য এটি ফ্যাটি অ্যাসিডের উল্লেখযোগ্য উৎস। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে এই অ্যাসিড সাহায্য করে।

৮. মাশরুম- এই সবজি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শ্বেত রক্ত কণিকার কার্যকরিতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে মাশরুম। ক্যান্সার থেকে সুরক্ষার জন্য মাশরুম খেতে পারেন।

৯. গাজর- শরীরে রক্ত বাড়ায় গাজর। তার পাশাপাশি ক্ষতিকর ব্যাক্টিরিয়ার সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে এটি। গাজরে ভিটামিন এ, ক্যারোটিনয়েড এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপস্থিত। গাজর খেলে ফুসফুসের ক্যান্সারের সম্ভাবনা কম হয়। আবার চোখের ছানি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গাজর খাওয়া উচিত।

১০. টমেটো- শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের স্তর কম করতে সাহায্য করে টমেটো। এতে উপস্থিত লাইকোপিন শরীরে উপস্থিত ফ্রি র‌্যাডিক্যালকে নিউট্রালাইজ করে। এর ফলে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল আমাদের শরীরের ক্ষতি করতে পারে না।

বন্ধ করুন