বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > মৃত্যুর এত বছর পরে দেশে ফেরার পালা, কোহিমায় জাপানি সেনাদের দেহাবশেষ পরীক্ষা
কোহিমা এবং ইমফলের যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছিল দুই শিবিরের বহু সেনার। 
কোহিমা এবং ইমফলের যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছিল দুই শিবিরের বহু সেনার। 

মৃত্যুর এত বছর পরে দেশে ফেরার পালা, কোহিমায় জাপানি সেনাদের দেহাবশেষ পরীক্ষা

  • দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিমুখ বদলে দিয়েছিল নাগাল্যান্ডের কোহিমা যুদ্ধ। মিত্র পক্ষের সঙ্গে জাপানের বাহিনীর যুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন দুই শিবিরের বহু সেনা। 

তখন সবে কোভিড-১৯ সংক্রমণের খবর আসছে। সেই সময়েই নাগাল্যান্ডের কোহিমার অনতিদূরে এক গ্রামে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের কয়েক জনের দেহাবশেষ পাওয়া যায়। 

ইতিহাসে উৎসাহীরা জানেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে Battle of Kohima কেন গুরুত্বপূর্ণ। এশিয়ায় বিশ্বযুদ্ধের অভিমুখই বদলে দিয়েছিল এই যুদ্ধ। মিত্রপক্ষের সঙ্গে জাপানের সেনাদের লড়াই ভয়াবহ আকার নিয়েছিল কোহিমায়। এখনও তার নানা স্মৃতি ছড়িয়ে রয়েছে গোটা শহরেই। বিরাট করে বানানো আছে ওয়ার মেমোরিয়্যালও। 

এহেন কোহিমায় অতিমারি শুরুর আগে বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের দেহাবশেষ পাওয়ার পরে বাকি সব কিছু দেখে আন্দাজ করা হয়, এগুলি হয়তো জাপানি সেনাদেরই। সেই মতো খবর যায় জাপানে। কিন্তু তার পরেই এসে হাজির হয় অতিমারি। তাতে পিছিয়ে যায় এ নিয়ে আলোচনা।

এখন কোভিডের সংকট অনেকটা কেটেছে। তাই আবার এই দেহাবশেষ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এবং জাপান থেকে তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ দলও হাজির হয়েছে ভারতে। মৃত সৈনিকদের দেহাবশেষের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই নমুনার DNA পরীক্ষা করেও দেখা হচ্ছে। 

জাপানের তরফে নাগাল্যান্ডের স্থানীয় প্রশাসনকে এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, তারা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে জানাবে, কোনগুলি জাপানের সেনাদের দেহাবশেষ। সেই অনুযায়ী, মৃতদের দেহ ফিরে যেতে পারে নিজভূমে। 

এর আগে অন্য দেশের তরফেও এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই সব দেশের সেনাদের মৃতদেহ নিজভূমে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছে নাগাল্যান্ড থেকে। এবার জাপানের পালা।

বন্ধ করুন