বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Research on mental health: বাচ্চা থেকে তরুণ, নানা বয়সে মানসিক সমস্যার পিছনে মোবাইলই কেন?

Research on mental health: বাচ্চা থেকে তরুণ, নানা বয়সে মানসিক সমস্যার পিছনে মোবাইলই কেন?

FILE PHOTO: The dating app Tinder is shown on an Apple iPhone in this photo illustration taken February 10, 2016. Just in time for Valentine's Day, a survey shows that more Americans are looking for love through online dating, with more than four times as many young adults using mobile apps than in 2013. REUTERS/Mike Blake/Illustration/File Photo (REUTERS)

চটজলদি কম বয়সে হাত ফোন পাওয়ার কারণেই বিপদ হচ্ছে তরুণ ও কিশোরদের। সম্প্রতি এমনটাই দাবি করল আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচালিত একটি গবেষণা। স্যাপিয়েন ল্যাব গবেষণা সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কম বয়সে হাতে ফোন পাওয়ার কারণেই চরম মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে কিশোর ও তরুণরা।

চটজলদি কম বয়সে হাত ফোন পাওয়ার কারণেই বিপদ হচ্ছে তরুণ ও কিশোরদের। সম্প্রতি এমনটাই দাবি করল আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচালিত একটি গবেষণা। স্যাপিয়েন ল্যাব নামক ওই গবেষণা সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কম বয়সে হাতে ফোন পাওয়ার কারণেই চরম মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে কিশোর ও তরুণরা। ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সিদের মধ্যে সম্প্রতি মোবাইল ফোনের প্রভাব নিয়ে একটি বিশদ গবেষণা করা হয়। তাতেই এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গিয়েছে বলে দাবি। গবেষকদের কথায়, যত অল্প বয়সে ফোন হাতে দেওয়া হচ্ছে, ততই মানসিক অবস্থা সঙ্গীন হচ্ছে তাঁদের। তুলনায় দেখা গিয়েছে, যারা বেশি বয়সে হাতে ফোন পেয়েছেন, তাঁদের মানসিক সমস্যার হার অনেকটাই কম। শুধু তরুণ ও কিশোররা নয়, ছোট্ট খুদেরাও একই সমস্যার শিকার বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা‌।

আরও পড়ুন: কোন ভাবনা নিয়ে ২০২৩ সালে বিশ্ব এইডস টিকা দিবস পালন? জানলে যোগ দিতে পারেন আপনিও

আরও পড়ুন: বড়া পাও থেকে পুরাণ পুলি, চেটেপুটে খেলেন আমেরিকার রাষ্ট্রদূত

গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর পর্যন্ত গবেষণার অংশ নেওয়া তরুণ ও কিশোররা যত বেশি বয়সে ফোন হাতে পেয়েছে, ততই কমেছে তাদের মানসিক সমস্যার হার। পরিসংখ্যান বলছে, মহিলাদের ক্ষেত্রে এই হার ৭৪ শতাংশ থেকে কমে ৪৬ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষদের মানসিক সমস্যার হার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ৪২ শতাংশ থেকে কমে ৩৬ শতাংশ হয়েছে। ওই গবেষণাপত্রটির দাবি অনুযায়ী, তরুণদের মধ্যে ভালো থাকার হারও এর সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে কমেছে। দেখা গিয়েছে, মানসিক স্বাস্থ্যের যত অবনতি হয়েছে, ততই সামাজিক মেলামেশার প্রবণতা কমেছে। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কগনিটিভ কার্যক্ষমতা। 

তবে শুধু ফোন হাতে পাওয়াই যে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা নয়। ফোনের মাধ্যমে যে জগতের সঙ্গে কিশোর ও তরুণ বয়সেই পরিচয় হচ্ছে, সেই জগতই এই সমস্যার মূলে। গবেষকদের দাবি, সমাজ মাধ্যমে অত্যাধিক পরিমাণে সময় কাটানো ও ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে অনেকটা জড়িয়ে পড়াই এর মূলে রয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সমাজ মাধ্যমের যোগ এর আগেও মিলেছে একাধিক গবেষণায়। ২০২১ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেসবুকের সমীক্ষায় উঠে এসেছে মেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম অ্যাপের জড়িয়ে থাকার ঘটনার কথাও। ওই অ্যাপে সময় কাটানোর উপরেই যা অনেকটা নির্ভরশীল। 

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup 

বন্ধ করুন