বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > আম খাওয়ার পর ভুলেও খাবেন না এই খাবারগুলি, হতে পারে অ্যালার্জি-শ্বাসকষ্ট
আম খাওয়ার পর জল পান করলে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
আম খাওয়ার পর জল পান করলে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আম খাওয়ার পর ভুলেও খাবেন না এই খাবারগুলি, হতে পারে অ্যালার্জি-শ্বাসকষ্ট

আমরা ইচ্ছে হলেই যখন-তখন, বা যে কোনও খাবারের সঙ্গে আম খেয়ে থাকি। এতে স্বাস্থ্যের ওপর বাজে প্রভাব পড়তে পারে।

ফলের রাজা আম। গরমকাল এলেই আম খাওয়ার জন্য মন উশখুশ করে না, এমন মানুষ খুব কমই আছে। আম সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি নানান পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন, ভিটামিন বি, সি, আয়রণ, ক্যালসিয়াম ও খনিজ লবন থাকে যা শরীরের পক্ষে খুবই উপযোগী। 

আমরা ইচ্ছে হলেই যখন-তখন, বা যে কোনও খাবারের সঙ্গে আম খেয়ে থাকি। এতে স্বাস্থ্যের ওপর বাজে প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে বদহজম, বমি বমি ভাব থেকে শুরু করে ডায়রিয়া, অ্যালার্জি এমনকি শ্বাসকষ্ট পর্যন্ত হতে পারে। কোন খাবারগুলি আম খাওয়ার পরে ভুলেও খাবেন না, জেনে নিন--

জল- আম খাওয়ার পর জল পান করলে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি পেটে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জল পান না করে কমপক্ষে আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। তার পর জল পান করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমের হাইড্রেটিং ক্ষমতা ভালো হওয়ায়, এটি তৃষ্ণা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। তাই আম বা যে কোনও ফল খাওয়ার পর তৃষ্ণা পেলে অন্তত ৩০ মিনিট পর জল পান করবেন।

উল্লেখ্য অধিকাংশ ডায়েটিশিয়ানরা ফল এবং জল খাওয়ার মধ্যে ৪০-৫০ মিনিট ব্যবধানের পরামর্শ দেন।

দই- আমের সঙ্গে ভুলেও দই খাবেন না। কারণ দই ও আম একসঙ্গে খেলে শরীরে এর বিপরীত প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে অ্যালার্জির সমস্যা বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয় পাকস্থলীতে বিষক্রিয়ার ফলে ডায়রিয়ার ঝুঁকিও থেকে যায়।

করলা- পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ করলা। তবে আম খাওয়ার পর কখনই করলা খাবেন না। তা না-হলে বমি পেতে পারে। অনেকের বমির পাশাপাশি শ্বাসকষ্টও হতে পারে।

ঝাল ও মশলাযুক্ত খাবার- আম খাওয়ার পরে কখনও ঝাল বা মশলাদার খাবার খাবেন না। এর ফলেও বদহজমের সম্ভাবনা থেকে যায়। এমনকি অ্যালার্জিও হতে পারে।

সফ্ট ড্রিঙ্কস- এয়ারেটেড বা সফ্ট ড্রিঙ্কস স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেও ভালো নয়। আম খাওয়ার পর এগুলি পান করলে সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, আম সফ্ট ড্রিঙ্কসে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকায় রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। আবার মধুমেহর রোগী হলে, তাঁদের সমস্যা বাড়বেই।

বন্ধ করুন