বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Doctor Removes 23 Contact Lenses: একটি-দু’টি নয়, চোখের মধ্যে ২৩টি কনট্যাক্ট লেন্স! কী করে সম্ভব? হতবাক চিকিৎসকরাও

Doctor Removes 23 Contact Lenses: একটি-দু’টি নয়, চোখের মধ্যে ২৩টি কনট্যাক্ট লেন্স! কী করে সম্ভব? হতবাক চিকিৎসকরাও

চোখের থেকে বার করা হল ২৩টি কনট্যাক্স লেন্স। নীচে দেখে নিন ভিডিয়োটি। 

Viral Video: একটি চোখের মধ্যে ২৩টি কনট্যাক্ট লেন্স। কোথা থেকে এল? হতবাক চিকিৎকরাও। দেখুন সেই ভিডিয়ো।

একটি চোখে তো একটি কনট্যাক্ট লেন্সই থাকতে পারে। তার বেশি থাকার উপায় নেই। কিন্তু যদি এমন হয়, কারও চোখ পরীক্ষা করতে গিয়ে চিকিৎসকরা দেখেন, সেই চোখের মধ্যে একটি-দু’টি নয়, প্রায় ২৩টি কনট্যাক্ট লেন্স, তাহলে কী বলবেন!

হালে এমনই ঘটেছে আমেরিকার এক মহিলার সঙ্গে। বেশ কিছু দিন ধরেই তাঁর চোখে ব্যথা হচ্ছিল। সেই ব্যথার কারণ খুঁজতে তিনি চিকিৎসকের কাছে যান। এবং তখনই এই অদ্ভুত ঘটনাটি আবিষ্কার করেন চিকিৎসক। শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনার ভিডিয়ো রেকর্ডও করেছেন চিকিৎসক।

কী করে এমন হতে পারে? চিকিৎসক জানিয়েছেন ওই বৃদ্ধা এক বিরল সমস্যায় ভুগেছেন। সাধারণত যাঁরা কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁরা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে সেই লেন্স খুলে রাখেন। আর ঠিক সেই কাজটি করতেই ভুলে গিয়েছেন এই মহিলা। এক দিন, দু’দিন নয়, টানা ২৩ দিন একই ভাবে ঘুমিয়েছেন তিনি। মানে, রাতে কনট্যাক্ট লেন্স খুলতে ভুলে গিয়েছেন। আবার সকালে উঠে অন্য একটি লেন্স পরে নিয়েছেন। এভাবেই ২৩ দিন ধরে তাঁর চোখের মধ্যে একটির পর একটি লেন্স জমতে শুরু করেছে।

এতগুলি লেন্সের কারণেই শেষ পর্যন্ত চোখে ব্যথা অনুভব করেছেন ওই মহিলা। তারই উপশমের জন্য তিনি হাজির হয়েছেন চিকিৎসকের কাছে। চিকিৎসক চোখ পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন, ভিতরে পাতার নীচে কনট্যাক্ট লেন্স আটকে রয়েছে। কিন্তু কতগুলি লেন্স রয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারেননি। এমনকী বৃদ্ধা যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, কতগুলি লেন্স রয়েছে, প্রথম দিকে তার কোনও উত্তরও দিতে পারেননি এই চিকিৎসক।

এর পরে একটির পর একটি লেন্স বেরোতে শুরু করে। এমনকী এই দৃশ্য দেখে তিনি নিজেও ঘাবড়ে যান। এর পরে সেই লেন্সগুলি গুণে জানা যায়, সব মিলিয়ে ২৩টি লেন্স ছিল ভিতরে।

চিকিৎসকরা তাই পরামর্শ দিয়েছেন, কোনও ভাবেই লেন্স পরে ঘুমোতে যাবেন না। এমনটি হলে অনেক সময়েই মনে থাকে না সেটি কোথায় গেল। তার পরে সেটি চোখের ভিতরে আটকে যেতে পারে। এবং শেষ পর্যন্ত এমন সমস্যা হতে পারে।

চিকিৎসক এই ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। আর সেটি দেখেই হতবাক হয়ে গিয়েছেন সাধারণ মানুষও। সকলেই বলেছেন, এমন আজব কাণ্ড যে ঘটতে পারে, তা তাঁরা কেউ ভাবেননি।

বন্ধ করুন