বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Skin Care: মিষ্টি খেতে ভীষণ ভালোবাসেন? রোজ রাতে মিষ্টি চাই? সাবধান হন

Skin Care: মিষ্টি খেতে ভীষণ ভালোবাসেন? রোজ রাতে মিষ্টি চাই? সাবধান হন

মিষ্টি খাওয়া কমান নইলে বিপদ

Skin Care Tips: অনেকেই মিষ্টি খেতে ভীষণ ভালোবাসেন। রোজ রাতে একটা করে মিষ্টি না হলে তাঁদের ঠিক চলে না। কিন্তু রোজ যদি মিষ্টি খাওয়া হয় তার কুপ্রভাব কী হয় জনেন?

মিষ্টি খেতে কম বেশি সকলেই ভালোবাসেন। কিন্তু এখন ডায়েটিংয়ের কারণে অনেকে দোনোমনায় ভোগেন বা কম করে খান। কিন্তু তাঁরা বাদে এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁরা মিষ্টি ছাড়া থাকতেই পারেন না। দিনে অন্তত একটা মিষ্টি চাই তাঁদের। ফ্রিজ খুললেই মিষ্টির প্যাকেট কিংবা ক্যাডবেরির দেখা মিলবেই। রাতের খাবার পর একটা মিষ্টি মাস্ট। কিন্তু জানেন কি অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ডায়াবিটিস হতে পারে?

অনেকেই মনে করেন আমার তো আর ডায়াবিটিস নেই, আমি কেন অত মেপে বা বুঝে খাব? ফলে প্রণ খুলে মিষ্টি খেয়ে যান তাঁরা। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি খেলে আমাদের ত্বকের ক্ষতি হয়। কী কী ক্ষতি হয় জানেন? আসুন দেখে নেওয়া যাক।

আপনি যদি প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত মিষ্টি খান তাহলে আপনার কেমন ডায়াবিটিস হতে পারে তেমনই বাড়তে পারে ওজন।

বেশি মিষ্টি খেলে ত্বকের ক্ষতি হয় ভীষণ রকম। মূলত যাঁদের তৈলাক্ত ত্বক তাঁদের একদমই বেশি মিষ্টি খাওয়া উচিত নয়। দেখুন এমনই তৈলাক্ত ত্বকের একাধিক সমস্যা রয়েছে। এই ধরনের ত্বকে সব থেকে বেশি ব্রণর সমস্যা দেখা যায়। তার মধ্যে যদি আপনি অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি খান তাহলে সেই সমস্যা আরও বাড়বে। তাই যদি ত্বক ভালো রাখতে চাঁজ একই সঙ্গে শরীর ভালো রাখতে চান মিষ্টি খাওয়া কমান।

কিন্তু কেন এমনটা বলা হয় যে মিষ্টি ভালো নয় শরীরের জন্য? আসলে মিষ্টিতে এমন এক ধরনের উপাদান থাকে যেটা আমাদের শরীরের জন্য একদম ঠিক নয়। এটা খেলে পেটের গোলমাল হতে পারে। হজমের সমস্যা দেখা দেয়। সঙ্গে হতে পারে পেটের সমস্যা। তাই মিষ্টি কম খাওয়া ভালো। আর পেট ঠিক না থাকলেই আমরা জানি তার প্রভাব মুখে দেখা যায়, ফুসকুড়ি, ইত্যাদি বেরোয় মুখে।

মিষ্টিতে যে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকে সেটার কারণে ত্বকের বয়সের ছাপ সময়ের আগেই পড়ে যায়। এছাড়া অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ত্বক শুষ্ক এবং নিষ্প্রাণ হয়ে যেতে পারে। মিষ্টি খাওয়ার কারণে নাকি ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায়। এমনটাই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

তাই মিষ্টি খাওয়ার বদলে শরীর এবং ত্বক দুই ভালো রাখতে চাইলে বেশি পরিমাণে জল খান। জল আমাদের যেমন হাইড্রেটেড রাখে, তেমনই একাধিক রোগ ব্যাধি দূরে রাখে।

বন্ধ করুন