বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > রোজকার রান্নাতেই আনুন ছোট ছোট বদল, মেদ কমবে নিজের থেকেই
নিজস্ব চিত্র (HT Bangla)
নিজস্ব চিত্র (HT Bangla)

রোজকার রান্নাতেই আনুন ছোট ছোট বদল, মেদ কমবে নিজের থেকেই

আপনার লক্ষ্য যদি হয় সামান্য মেদ ঝড়ানো বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, তবে রোজকার ডায়েটে এই পরিবর্তনগুলো করতেই পারেন।

ওজন কমাতে খাওয়া-দাওয়া প্রায় ছেড়েই দিয়েছেন? তবুও কোনও সুফল পাচ্ছেন না? চিন্তা নেই। কঠিন কোনও ক্র্যাশ ডায়েট ফলো করতে হবে না। রোজকার ঘরোয়া রান্নাতেই সামান্য পরিবর্তন আনুন। মেদ কমবে। পরিবারের সকলের শরীরও থাকবে সুস্থ।

রেজিস্টার্ড ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ ছাড়া হঠাত্ কোনও কঠিন ডায়েট-এর দিকে না এগনোই শ্রেয়।

তবে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় সামান্য মেদ ঝড়ানো বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, তবে রোজকার ডায়েটে এই পরিবর্তনগুলো করতেই পারেন।

ব্রেকফাস্ট:

ওজন কমাতে অনেকেই সকালে ওটস খান। ফাইবার সমৃদ্ধ ওটস সত্যিই উপকারী। কিন্তু রোজ খেলে এক ঘেয়ে হতে বাধ্য। তাই একটু অদল-বদল করুন। খেতে পারেন ১-২টি লাল আটার রুটি, সবজির তরকারি। অথবা, ছাতুও খেতে পারেন। এতে ফাইবারও পাবেন, একঘেয়েও হবে না।

লাঞ্চ:

ওজন নিয়ন্ত্রণের ডায়েট এরকম হতে পারে- দুপুরে এক কাপ ভাত/ ১টা রুটি। ১ বাটি ডাল। খোসা শুদ্ধু মুসুর/ মুগ হলে ভাল। এক বাটি সবজি সেদ্ধ। সঙ্গে একটা ডিম/মাছ কম তেলে করা/দুই পিস চিকেন গ্রিলড/ স্টির ফ্রাই- কম তেলে।

তবে লাঞ্চ যৌথ পরিবারে একার জন্য রাঁধা অসম্ভব। সেখানেই কেরামতি।

উদাহরণস্বরূপ- ভাত যেমন করা হয় করবেন। সঙ্গে ডালও খান সকলেই। সেটার ক্ষেত্রে সপ্তাহে তিনদিন খোসাসহ ডালের অভ্যাস করতে পারেন পুরো পরিবার।

এবার আসি সবজির দিকে। সবজি মানেই যে সেদ্ধ হতে হবে তা নয়। কম তেলে বাঁধাকপি-টমোটো-গাজর-কড়াইশুঁটির তরকারি, সবজির লাবড়া(যেটা খিচুড়ির সঙ্গে খায়), প্রায় তেল ছাড়া শাকভাজা এগুলোও চলে। সবজি হলেই হল। যেন তেলের পরিমাণ কম থাকে আর খুব অতিরিক্ত নরম করে রান্না না করা হয়।

মাছ বা মাংস বা ডিম তো সবাই করেনই। সেক্ষেত্রে নিজের পিসের মাছ কম তেলে ভেজে তুলে নিলেই হল। বাড়ির সকলেরও সেই অভ্যাস করতে পারেন ধীরে ধীরে।

মাংস রান্নার সময়ে তেলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করলে ও স্টু করলে তাতে সবজি ফেলে দিলে সবার পক্ষেই তা উপকারি হবে।

ডিনার :

রাতের আহারও দুপুরের মতোই। তবে, রাতে চেষ্টা করবেন ঘুমের অন্তত ঘন্টা দুয়েক আগে খাওয়ার।

স্ন্যাক্স:

ওজন কমাবেন বলে স্ন্যাক্স ছেড়ে দেবেন নাকি? একদমই নয়। তবে বেছে নিতে হবে বেশি স্বাস্থ্যকর অপশন। স্ন্যাক্স হিসাবে খাওয়া যেতে পারে আঙুর, পেয়ারা, কলা ইত্যাদির মতো যে কোনও  ফল। এছাড়া অল্প পরিমাণে আমন্ড, কাজু, আখরোটও একই সঙ্গে মুখরোচক ও উপকারি। তবে ড্রাই ফ্রুট কাঁচা খাওয়াই ভাল। রোস্টেড, দামিগুলো নয়। তাছাড়া অঙ্কুরিত কাঁচা ছোলাও খেতে পারেন লেবু, বিটনুন, কাঁচা লঙ্কা ও পেঁয়াজ দিয়ে মেখে।

বন্ধ করুন