বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Weight Loss: ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নিলেই কমবে ওজন, বাজার কাঁপিয়ে বিক্রি হচ্ছে ওই ওষুধ!
প্রতীকী ছবি : ইনস্টাগ্রাম (Instagram)
প্রতীকী ছবি : ইনস্টাগ্রাম (Instagram)

Weight Loss: ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নিলেই কমবে ওজন, বাজার কাঁপিয়ে বিক্রি হচ্ছে ওই ওষুধ!

 ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নিতে হয়। সপ্তাহে একটি করে নিলেই হবে। তাতেই কমে যাবে খিদে। এর ফলে প্রায় ১৫% পর্যন্ত ওজন কমতে পারে বলে দাবি প্রস্তুতকারকদের।

লো ক্যালোরি ডায়েট। কম খাওয়া দাওয়া। কিন্তু খিদে যে মেটে না! সেই সমস্যারই সুরাহা এনেছিল এক সংস্থা। অত্যন্ত ওই সংস্থার তরফে এমন দাবি করা হয়েছে। ওই সংস্থার দাবি, ওষুধ নিলেই কমবে খিদে। ফলে কমবে ওজন। আর সেই লোভেই হু হু করে বিক্রি হচ্ছে ডেনমার্কের সংস্থা Novo Nordisk A/S-এর ওয়েট লসের ওষুধ।

ওষুধটির নাম Wegovy। ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নিতে হয়। সপ্তাহে একটি করে নিলেই হবে। তাতেই কমে যাবে খিদে। এর ফলে প্রায় ১৫% পর্যন্ত ওজন কমতে পারে বলে দাবি প্রস্তুতকারকদের। এই একটি ওষুধের প্রভাবেই প্রস্তুতকারক সংস্থার আয় প্রায় ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্থার সিইও লার্স ফ্রুয়ারগার্ড জর্গেনসেন বুধবার বলেন, অতিরিক্ত ওজন থাকলে কোভিড-১৯ রোগীদের জটিলতা আরও বাড়তে পারে। ফলে মহামারীতে অনেকে ওজন কমানোতে আরও বেশি মনোযোগ দিয়েছেন।

ভারতেও বিক্রি হয় Novo Nordisk-এর ইনসুলিন ইঞ্জেকশন। ছবি : রয়টার্স 
ভারতেও বিক্রি হয় Novo Nordisk-এর ইনসুলিন ইঞ্জেকশন। ছবি : রয়টার্স  (REUTERS)

এই ওষুধটিই প্রথম প্রেসক্রাইবড স্লিমিং ওষুধ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭ বছরের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে। উল্লেখ্য, মার্কিন মুলুকেই প্রাপ্তবয়স্কদের বেশিরভাগেরই ওজন বেশি। খারাপ জীবনযাত্রার কারণে অনেকেই ওজন কমাতে স্ট্রাগেল করেন।

আর সেই কারণেই সেদেশে তুঙ্গে এই ওষুধের চাহিদা। অবস্থা এমনই যে, দোকানে গিয়েও কিনতে পারছেন না অনেকে। সংস্থার সিইও এ প্রসঙ্গে বলেন, 'এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা সমস্ত রোগীদের সাহায্য করতে পারছি না।' তিনি জানান, এই সমস্যার সুরাহার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী বছরের মধ্যে প্যাকেজিং ও উত্পাদন বৃদ্ধি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। Novo Nordisk সংস্থা মূলক ডায়াবেটিস সংক্রান্ত ওষুধ প্রস্তুতের জন্য পরিচিত। ওজন কমানোর ওষুধ এই প্রথম আনল সংস্থাটি। আর তাতেই বাজিমাত।

২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১০০ কোটি ব্যক্তি স্থুলকায় হয়ে যাবেন। এর ফলে আগামিদিনে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়বে প্রায় সব দেশেই। স্বাস্থ্য খাতে খরচও বেশি হবে৷

বন্ধ করুন