বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > এক ফালি চিজের দাম ২৭ লক্ষ টাকা! অবাক করা নিলাম স্পেনে

এক ফালি চিজের দাম ২৭ লক্ষ টাকা! অবাক করা নিলাম স্পেনে

ক্যাব্রেলেস ব্লু চিজ (pixabay)

চিজটি এক হাজার ৪০ মিটার উচ্চতায় একটি গুহায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষিত ছিল। সেখানে ন্যূনতম আট মাস এই চিজটি রাখা ছিল বলে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে।

সংবাদ শিরোনামে দু’কেজির সুস্বাদু চিজ। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে খাদ্যপ্রেমীদের কাছে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের সবথেকে দামি চিজ নিলামের বিষয়টি। খাদ্য সম্পর্কিত সর্বশেষ বিশ্ব রেকর্ড হিসাবেও আপাতত স্বীকৃতি পাচ্ছে উত্তর স্পেনের নীলচে রঙের চিজ। স্পেনের আস্তুড়িয়াসে অনুষ্ঠিত স্থানীয় চিজ উৎসবে ক্যাব্রেলেস ব্লু চিজের একটি ২.২ কেজি অংশের দাম উঠেছে ৩০ হাজার ইউরো অর্থাৎ, ভারতীয় মুদ্রায় ২ কেজির সামান্য বেশি ওজনের এই চিজের দাম ২৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। আরও আশ্চর্যের বিষয় ২০১৯ সালে যে বিশ্ব রেকর্ডটি হয়েছিল, সেখানেও এই ধরনের একটি চিজ শিরোনামে এসেছিল।

স্পেনের অধিবাসী গুইলারমো পেন্ডাস লস পুয়ের্তোসে তার পারিবারিক কারখানায় এই চিজটি প্রস্তুত করেছিলেন। দ্য টাইমস লন্ডনের সংবাদ অনুসারে স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ইএফইকে দেওয়া পেন্ডাসের বক্তব্য, ' আমরা জানতাম যে আমাদের কাছে একটি ভালো মানের চিজ রয়েছে।' কিন্তু এটি যে বিশ্ব রেকর্ড করবে তা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি তারা। পেন্ডাসের মা রোজা ভাদা এই চিজ কারখানাটির মালিক। তিনি বলেন যে, এই চিজটি এক হাজার ৪০ মিটার উচ্চতায় একটি গুহায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষিত ছিল। সেখানে ন্যূনতম আট মাস এই চিজটি রাখা ছিল বলে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে।

এই চিজ ব্লকটি ওভিয়াডোর কাছে একটি রেস্তোরাঁর মালিক ইভান্স সুয়ারেজ-এর কাছে বিক্রি করেন পেন্ডাস। এর আগেও ২০১৯ সালে দু’কেজির ক্যাব্রেলস চিজটি কিনেছিলেন ওভিয়াডো। দ্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে এই তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে।

দ্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ক্যাব্রালেস চিজটিকে 'একটি আধা কঠিন এবং শক্তিশালী সুস্বাদু নীল চিজ' হিসাবে বর্ণনা করেছে। এটি স্পেনের আস্তরিয়াসের কারিগরদের দ্বারা উৎপাদিত হয়েছে। সাধারণ গরুর দুধের সঙ্গে ছাগল ও ভেড়ার দুধও মেশানো হয়েছে এটি উৎপাদন করতে। এরপর পিকোস দে ইউরোপা ন্যাশনাল পার্কের পাশে অবস্থিত চুনাপাথরের গুহায় এটি বেশ কয়েক মাস সংরক্ষিত করে রাখা হয়। সেখানে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার মিথস্ক্রিয়ায় এবং সেই সাথে অনুজীবের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় এই চিজটি এক অভিনব স্বাদ ধারণ করেছে।

বন্ধ করুন