সীমান্তে সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানের সঙ্গে সদর্থক কাজ করছে আমেরিকা, দাবি ট্রাম্পের।
সীমান্তে সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানের সঙ্গে সদর্থক কাজ করছে আমেরিকা, দাবি ট্রাম্পের।

ভারতের অস্বস্তি বাড়িয়ে ট্রাম্পের মুখে সন্ত্রাস দমনে পাক ভূমিকার উল্লেখ

  • পাক সীমান্তে সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী ও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে পাকিস্তানের সঙ্গে সদর্থক পদক্ষেপ করছে আমেরিকা সরকার। আমরা বড় সাফল্যের আভাস পেতে শুরু করেছি।

পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্তে সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলিকে দমন করার কাজে ‘বড়সড় সাফল্যের সংকেত’ মিলেছে, জানালেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোমবার আমেদাবাদে মোতেরা স্টেডিয়াম উদ্বোধনে তাঁর ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পাক সীমান্তে সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী ও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে পাকিস্তানের সঙ্গে সদর্থক পদক্ষেপ করছে আমার সরকার। আমরা বড় সাফল্যের আভাস পেতে শুরু করেছি।’

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের মাত্র কয়েক দিন আগেই পাকিস্তানকে ‘কালো তালিকা’র অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সতর্ক করে ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা এফএটিএফ। আগামী জুন মাসের মধ্যে সন্ত্রাস দমনে সক্রিয় পদক্ষেপ না করলে যাবতীয় আর্থিক নেলদেনের বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে বলেও ইসলামাবাদকে সতর্ক করেছে এফএটিএফ।

আন্তর্জাতিক সংস্থার দাবি, ২৭টি ক্ষেত্রের মধ্যে মাত্র ১৪টির বিষয়ে পদক্ষেপ করেছে পাকিস্তান, এমনই অভিযোগ এফএটিএফ-এর। ২০১৮ সালের জুন মাসে সংস্থার ‘ধূসর তালিকা’-তে স্থান পাওয়া পাকিস্তানের সন্ত্রাস দমন প্রচেষ্টাকে নিয়মিত ভাবে যাচাই করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, আমেরিকা ও ভারত উভয়েই সন্ত্রাসের নিশানায় পড়েছে এবং মৌলবাদি ইসলামপন্থী সন্ত্রাসের হাত থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে সংঘবদ্ধ হয়েছে। এই প্রসঙ্গে আইসিস রাজত্ব সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এ দিনের ভাষণে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে মার্কিন প্রয়াসের ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক দেশের তার সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার অধিকার রয়েছে। সন্ত্রাসবাদী ও তাদের আদর্শের বিরুদ্ধে লড়তে হাত মিলিয়েছে আমেরিকা ও ভারত।’

মঙ্গলবার দিল্লিতে তাঁদের বৈঠকে বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমন-সহ নানান দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে ট্রাম্প ও মোদীর মধ্যে আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বন্ধ করুন