এই সেই বিতর্কিত প্রশ্নপত্র।
এই সেই বিতর্কিত প্রশ্নপত্র।

মাধ্যমিক প্রশ্নপত্রে ‘আজাদ কাশ্মীর’ পাঠ্যবই থেকেই নেওয়া, দাবি শিক্ষক সংগঠনের

  • সরকার অথবা কর্তৃপক্ষের যদি ওই শব্দবন্ধনী নিয়ে এতই আপত্তি, তা হলে তা পাঠ্যবইয়ে কোন যুক্তিতে ছাপা হল?

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্ন পত্রে ‘আজাদ কাশ্মীর’ শব্দবন্ধনী পাঠ্যবই থেকেই নেওয়া হয়েছিল। ঘটনায় সাসপেন্ড হওয়া ২ শিক্ষকের সমর্থনে এই দাবি জানাল মধ্য প্রদেশ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

গত শনিবার মাধ্যমিকের সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৪ ও ২৬ নম্বর প্রশ্নে ওই শব্দবন্ধনী ছাপা হয়েছিল। বিষয়টি নজরে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। ঘটনায় প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্বে থাকা নরসিংপুরের সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক এবং মডারেটর রজনীশ জৈনকে সাসপেন্ড করে মধ্যপ্রদেশ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। বাতিল করা হয় বিতর্কিত প্রশ্নপত্রটি।

এই ঘটনায় সোমবার প্রতিবাদ জানিয়ে পর্ষদের হঠকারিতার সমালোচনায় মুখর হয়েছে মধ্য প্রদেশ শিক্ষক সংগঠন। এ দিন সংগঠনের সভাপতি লচ্ছিরাম এঙ্গলে বলেন, ‘যে প্রশ্নগুলি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেগুলি সমাজ বিজ্ঞানের পাঠ্যবই থেকেই নেওয়া হয়েছে। এই কারণে শিক্ষকদের ভুল হয়েছে বলা অন্যায়। একই বই থেকে ছাত্রদের সমাজ বিজ্ঞানের পাঠ দেওয়া হয়েছে, তাই সেই বই থেকে প্রশ্ন তৈরি করলে কখনই ভুল হয়েছে বলা চলে না।’

শিক্ষকদের সাস পেন্ড করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মধ্য প্রদেশ শিক্ষক কংগ্রেসের একজিকিউটিভ কমিটির সদস্য আশুতোষ পান্ডেও। তাঁর দাবি, ‘ওই শব্দবন্ধনী ব্যবহারে অন্যায় কোথায়? শিক্ষক বা পর্ষদ কেউই প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে দেশের কোনও অঞ্চলকে আজাদ কাশ্মীর হিসেবে ঘোষণা করেনি। শব্দবন্ধনী ব্যবহার করা হয়েছে দুটি অবজেক্টিভ প্রশ্নের অংশ হিসেবে যেগুলির উত্তর পরীক্ষার্থীদের লেখার কথা ছিল। সরকার অথবা কর্তৃপক্ষের যদি ওই শব্দবন্ধনী নিয়ে এতই আপত্তি, তা হলে তা পাঠ্যবইয়ে কোন যুক্তিতে ছাপা হল? কিন্তু এ সব ক্ষেত্রে সব সময় শিক্ষকরাই বিনাদোষে বলির পাঁঠা হন আর আসল দোষী কর্তৃপক্ষের গায়ে আঁচ লাগে না।

বন্ধ করুন