বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার (ফাইল ছবি, সৌজন্য এএনআই)
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার (ফাইল ছবি, সৌজন্য এএনআই)

আফগানিস্তানে শান্তি বজায়ের যে কোনও উদ্যোগেই সমর্থন, মন্তব্য নয়াদিল্লির

  • তালিবানরা চুক্তির শর্ত মানলে আফগানিস্তান থেকে ধাপে ধাপে মার্কিন ও ন্যাটো সহযোগীদের সেনা প্রত্যাহার করা হবে। ১৪ মাসের মধ্যে মধ্যে সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।

আমেরিকা-তালিবান শান্তি চুক্তির ফলে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান হবে বলে আশা আন্তর্জাতিক মহলের। আর আফগানিস্তানে শান্তি বজায় রাখার যে কোনও উদ্যোগেই ভারতের সমর্থন রয়েছে বলে জানাল বিদেশ মন্ত্রক।

মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেন, 'আফগানিস্তানে শান্তি, সুরক্ষা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার যে কোনও সুযোগকে সমর্থন করাই ভারতের বরাবরের নীতি। পাশাপাশি হিংসা বন্ধ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং আফগানদের নেতৃত্বে, আফগানের দায়িত্বে ও আফগান নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানসূত্রের পক্ষে সমর্থন রয়েছে ভারতের।'

শনিবার কাতারের রাজধানী দোহাতে শান্তিচুক্তি সই করেন মার্কিন বিশেষ দূত জালমায় খালিজাদ ও তালিবানের রাজনৈতিক প্রধান আবদুল ঘানি বারাদার। তালিবানরা চুক্তির শর্ত মানলে আফগানিস্তান থেকে ধাপে ধাপে মার্কিন ও ন্যাটো সহযোগীদের সেনা প্রত্যাহার করা হবে। ১৪ মাসের মধ্যে মধ্যে সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। ফলে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে ধীরে ধীরে শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে বলে আশা কাবুলের।

সেই শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে কাবুলকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে বলে সাউথ ব্লকের তরফে জানানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, 'সরকার, গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও নাগরিক সমাজ-সহ আফগানিস্তানের পুরো রাজনৈতিক স্পেকট্রাম এই সুযোগ ও চুক্তির মাধ্যমে যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা তৈরি হবে তাকে স্বাগত জানিয়েছে।'

বন্ধ করুন