বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বছর ২০ পরে, অসমের মানসের জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা ০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮
মানসের জঙ্গলে ক্যামেরায় ধরা পড়া বাঘের ছবি (মানস ন্যাশানাল পার্ক)
মানসের জঙ্গলে ক্যামেরায় ধরা পড়া বাঘের ছবি (মানস ন্যাশানাল পার্ক)

বছর ২০ পরে, অসমের মানসের জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা ০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮

  • ২০০১থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত মানসের জঙ্গলে কোনও বাঘের দেখা পাওয়া যায়নি। তবে কোভিডবিধি জেরে জঙ্গলে পর্যটকদের আনাগোনা কমে যাওয়ায় বন্য পশুরাও অনেকটাই স্বস্তিতে আছে। দাবি বনদফতরের আধিকারিকদের।

এককথায় অভূতপূর্ব সাফল্য। চোরাশিকারীদের দাপটে বছর কুড়ি আগেও অসমের মানস ন্যাশানাল পার্কে বাঘের দেখা পাওয়া যেত না। ২০ বছর পরে সেই বিপন্ন বাঘের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮টিতে। বনদফতর সূত্রে খবর ১২তম বার্ষিক ক্যামেরা ট্র্য়াপিং সার্ভের মাধ্যমে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৮৭৬ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে ওই জঙ্গলের ২৮৫টি লোকেশনে ক্যামেরা রাখা ছিল। সেই সমীক্ষাতে দেখা যাচ্ছে ৪৮টি বাঘের উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে জঙ্গলে। তার মধ্যে ৩৮টি পূর্ণ বয়স্ক, ৩টি মাঝবয়সী ও ৭টি বাচ্চা। এভাবে পূর্ণ বয়স্ক বাঘের উপস্থিতির জেরে যথেষ্ট উৎসাহিত বন দফতর। সূত্রের খবর ২০১০ সালে ১০টি বাঘের উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছিল জঙ্গলে। ২০২১য়ে দেখা যায় আরও ৩৮টি বেড়ে গিয়েছে। ২০২০ সালে ৩০টি পূর্ণবয়স্ক বাঘ দেখা গিয়েছিল জঙ্গলে। 

প্রসঙ্গত গত বছর উত্তরপ্রদেশের পিলভিট টাইগার রিসার্ভ বাঘ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেয়েছিল। সেখানে ৪ বছরে একেবারে দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল বাঘের সংখ্যা। ২০১৪ সালে যেখানে দেখা গিয়েছিল ওই জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা ২৫টি সেখানে ২০১৮ সালে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৬৫টিতে। এদিকে মানসের এই সাফল্যের জেরে ব্যাপক উৎসাহিত অনেকেই। বিভিন্ন মহলে থেকে দাবি করা হচ্ছে বাঘ সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ কাজে দিয়েছে। 

মানস টাইগার প্রজেক্টের ফিল্ড ডিরেক্টর অমল চন্দ্র শর্মা বলেন, বাঘের সংখ্য়া দ্বিগুণ করার ক্ষেত্রে ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ও গ্লোবাল টাইগার ফোরামের টার্গেটকে আমরা ২০২২য়ে পূরণ করতে চাই। এদিকে ২০০১থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত মানসের জঙ্গলে কোনও বাঘের দেখা পাওয়া যায়নি। তবে কোভিডবিধির জেরে জঙ্গলে পর্যটকদের আনাগোনা কমে যাওয়ায় বন্য পশুরাও অনেকটাই স্বস্তিতে আছে। দাবি বনদফতরের আধিকারিকদের।

 

বন্ধ করুন