বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কানাডায় দুটি আলাদা জায়গায় ছুরি-হামলায় মৃত ১০
কানাডায় ছুরি-হামলায় মৃত ১০। ছবি ডয়চে ভেল

কানাডায় দুটি আলাদা জায়গায় ছুরি-হামলায় মৃত ১০

  • ২০২০ সালে নোভা স্কটিয়াতে কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যা হয়েছিল। এক বন্দুকধারী ১২ ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালিয়ে মোট ১৩ জনকে হত্যা করেছিল। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে কুইবেক সিটি মসজিদে একজন গুলি চালিয়ে ছয়জনকে হত্যা করে।

কানাডার দুটি জায়গায় ছুরি নিয়ে হামলা। মৃত ১০ জন, আহত অন্তত ১৫ জন। দুই অভিযুক্তের খোঁজ চলছে। রোববার সাসকাচুয়ান এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, জেমস স্মিথ ক্রি নেশান ও ওয়েল্ডনে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের উপর ছুরি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। রয়্যাল ক্যানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সহকারী কমিশনার ব্ল্যাকমোর জানিয়েছেন, ১৩টি জায়গায় নিহত ও আহতরা পড়েছিলেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই দুটি জায়গায় বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ থাকেন। তারা মূলত কৃষি, শিকার, মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করেন। এই ঘটনার পর সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সাসকাচুয়ানের বাসিন্দাদের অন্যত্র আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন, এই ঘটনা ভয়ংকর ও হৃদয়বিদারক। তিনি বলেছেন, 'যারা তাদের আপনজনকে হারিয়েছেন এবং যারা আহত, তাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।'

যা জানা গিয়েছে

ব্ল্যাকমোর বলেছেন, তিনি স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে প্রথমে ফোনে খবর পান। তারপর বিভিন্ন জায়গা থেকে তার কাছে ফোনে ছুরিকাঘাতের খবর আসতে থাকে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, কিছু মানুষকে আগে থেকে চিহ্নিত করে ছুরি মারা হয়েছে। বাকিদের নির্বিচারে মারা হয়েছে। পুলিশ দুই অভিযুক্তের খোঁজে নেমে পড়েছে। তাদের নাম ড্যামেয়িন এস এবং মাইলস এস। তারা একটা কালো রঙের নিসান গাড়ি চালাচ্ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দিগ্ধ কাউকে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে যেন তাদের খবর দেওয়া হয়। বিশাল এলাকা জুড়ে পুলিশ ওই দুইজনের খোঁজ করছে।

কানাডার ইতিহাসে

২০২০ সালে নোভা স্কটিয়াতে কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যা হয়েছিল। এক বন্দুকধারী ১২ ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালিয়ে মোট ১৩ জনকে হত্যা করেছিল। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে কুইবেক সিটি মসজিদে একজন গুলি চালিয়ে ছয়জনকে হত্যা করে। ২০১৪ সালে এডমন্টনে একজন তার স্ত্রী-সহ আটজনকে হত্যা করে আত্মঘাতী হয়। ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে এক বন্দুকধারী ১৪ জন পড়ুয়াকে হত্যা করে।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনটি ডয়চে ভেলে থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবেদনই তুলে ধরা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কোনও প্রতিনিধি এই প্রতিবেদন লেখেননি।)

বন্ধ করুন