বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মহাশ্বেতা দেবীর লেখা সিলেবাসে ফেরানোর দাবিতে চিঠি অরুন্ধতী সহ ১১০০ বুদ্ধিজীবীর
ফাইল ছবি : টুইটার ও হিন্দুস্তান টাইমস  (Twitter, Illustration: Unnikrishnan/HT)
ফাইল ছবি : টুইটার ও হিন্দুস্তান টাইমস  (Twitter, Illustration: Unnikrishnan/HT)

মহাশ্বেতা দেবীর লেখা সিলেবাসে ফেরানোর দাবিতে চিঠি অরুন্ধতী সহ ১১০০ বুদ্ধিজীবীর

  • মহাশ্বেতাদেবীর 'দ্রৌপদী' রচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল দলিত পীড়ন। বাকি দুই লেখিকা বামা আর সুকর্তারিণীর লেখাও বাদ দেওয়া হয়েছে।

পাঠ্যক্রমে ফেরানো হোক মহাশ্বেতা দেবীসহ তিন লেখিকার রচনা। এই মর্মে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরকে চিঠি দিলেন দেশের প্রায় ১,১০০ জন খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও অধ্যাপক। তালিকায় আছেন অরুন্ধকী রায়, রোমিলা থাপার, জয়তী ঘোষ, উমা চক্রবর্তীর মতো প্রখ্যাত লেখিকারা।

সম্প্রতি ইংরাজী সাহিত্যের পাঠ্যক্রম থেকে মহাশ্বেতা দেবীসহ তিন লেখিকার রচনা বাদ দেয় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। এরপরেই শুরু হয় বিতর্ক। মহাশ্বেতাদেবীর 'দ্রৌপদী' রচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল দলিত পীড়ন। বাকি দুই লেখিকা বামা আর সুকর্তারিণীর লেখাও বাদ দেওয়া হয়েছে।

'দলিত-বিষয়ক লেখাগুলিই বেছে বেছে বাদ দেওয়া হয়েছে,' দাবি তুলেছেন প্রতিবাদীদের একাংশ। সেটিও 'ভিত্তিহীন' বলে পাল্টা দাবি কর্তৃপক্ষের। উল্টে বলা হচ্ছে, 'কোনও সাহিত্য রচনা যাতে কোনও গোষ্ঠীরই অনুভূতিতে আঘাত না করে, সে কথা ভেবেই এই বদল করা হয়েছে।' ১৯৯৯ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরাজি সাহিত্য অনার্সের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত ছিল দ্রৌপদী।

প্রতিটিই লেখাই বর্তমানে সামাজিক প্রেক্ষাপটেও বেশ প্রাসঙ্গিক। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন অধ্যাপকদের একাংশ।

'সিলেবাসের বিষয়বস্তু ইংরাজী ডিপার্টমেন্ট সাজিয়েছে। সেখান থেকেই এটি চূড়ান্ত করা হয়েছে,' এমনটাই জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিকাশ গুপ্ত। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধান কমিটি বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা এবং সুপারিশের পরেই পাঠ্যক্রমটি চূড়ান্ত করেছে।

বন্ধ করুন