বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দ্বাদশের পরীক্ষা নিয়ে CBSE ও CISCE-র সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয় : সুপ্রিম কোর্ট
শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ২০ লাখের বেশি পড়ুয়ার স্বার্থে বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে 'সর্বোচ্চ পর্যায়ে' সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য সুনীল ঘোষ/হিন্দুস্তান টাইমস)
শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ২০ লাখের বেশি পড়ুয়ার স্বার্থে বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে 'সর্বোচ্চ পর্যায়ে' সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য সুনীল ঘোষ/হিন্দুস্তান টাইমস)

দ্বাদশের পরীক্ষা নিয়ে CBSE ও CISCE-র সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয় : সুপ্রিম কোর্ট

দ্বাদশ শ্রেণির বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে একাধিক আবেদন দাখিল করা হয়েছিল, তা খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

সিবিএসই বা সিআইএসসিইয়ের পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করা হবে না। মঙ্গলবার এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে দ্বাদশ শ্রেণির বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে একাধিক আবেদন দাখিল করা হয়েছিল, তাও খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

বিচারপতি এএম খানউইলকর এবং বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর বেঞ্চ জানিয়েছে, দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নিয়ে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) এবং দা ইন্ডিয়ান সার্টিফিকেট সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিআইএসসিই) যে ফর্মুলা তৈরি করেছে, তাতে হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। তাতে পড়ুয়াদের উদ্বেগের বিষয়টিতে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ২০ লাখের বেশি পড়ুয়ার স্বার্থে বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে 'সর্বোচ্চ পর্যায়ে' সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবারের শুনানিতে একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক অনশুল গুপ্ত দাবি করেন, যখন অন্যান্য প্রবেশিকা পরীক্ষা হচ্ছে, পড়ুয়ারা আইআইটি-সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা দিতে যাচ্ছেন, তাহলে দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা আয়োজন না করার কোনও কারণ নেই। সেই সওয়ালের প্রেক্ষিতে বিচারপতি খানউইলকর বলেন, 'কতজন পড়ুয়া সেইসব প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসছেন এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় পড়ুয়াদের সংখ্যা কত?', সঙ্গে প্রশ্ন করেন, 'যদি পড়ুয়ারা (করোনাভাইরাসে) আক্রান্ত হন, তাহলে কি আপনি দায়িত্ব নেবেন?'

মাঝপথে থামানোর জন্য ওই স্কুল শিক্ষককে শীর্ষ আদালতের ভর্ৎসনার মুখেও পড়তে হয়। বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, বিভিন্ন বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা বিবেচনা করে দেখবে না সুপ্রিম কোর্ট। সংশ্লিষ্ট বোর্ড নিজেদের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। পাশাপাশি বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত একটা ঘোষণা বজায় রাখতে হবে। কারণ অনিশ্চয়তার ফলে পড়ুয়ার মনে প্রভাব পড়ছে। সুপ্রিম কোর্টের তরফে প্রশ্ন করা হয়, ‘আমরা কি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পালটে দিয়ে ২০ লাখ পড়ুয়াকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেব?’

চলতি মাসের গোড়ার দিকেই দ্বাদশ শ্রেণি পরীক্ষা বাতিল করে দিয়েছে সিবিএসই বা সিআইএসসিই। ইতিমধ্যে বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতি আদালতে জমা দিয়েছে দুই বোর্ড। যা বজায় রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। দুই বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হবে। সিবিএসই আবার জানিয়েছে, ফলাফল প্রকাশের পর যে পড়ুয়ারা সন্তুষ্ট হবেন না, তাঁরা ঐচ্ছিক পরীক্ষার জন্য অনলাইনে নথিভুূক্ত করতে পারবেন। যে পড়ুয়ারা সেই ঐচ্ছিক পরীক্ষায় বসবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ঐচ্ছিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ১৫ অগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শুধুমাত্র মূল বিষয়গুলির পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বন্ধ করুন