বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বিরল রোগে ভুগতে থাকা ওড়িশার ২২ মাসের শিশুর ফুসফুস 'ওয়াশ' করে নজির AIIMS-এর
প্রতীকী ছবি : রয়টার্স  (HT_PRINT)
প্রতীকী ছবি : রয়টার্স  (HT_PRINT)

বিরল রোগে ভুগতে থাকা ওড়িশার ২২ মাসের শিশুর ফুসফুস 'ওয়াশ' করে নজির AIIMS-এর

  • শিশুকন্যাটির একটি বিরল রোগ ধরা পড়ে যাতে ফুসফুসে দুধের মতো উপাদান জমা হয়। এর জেরে শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

ওড়িশার ২২ মাসের একটি শিশুকন্যার ফুসফুস 'ওয়াশ' করে নজির গড়ল এইমস। এর ফলে এই শিশুকন্যা দেশের সবচেয়ে কম বয়সী রোগী হয়ে উঠল যার ফুসফুস পরিষ্কার করা হল দেশে। শিশুকন্যাটির একটি বিরল রোগ ধরা পড়ে যাতে ফুসফুসে দুধের মতো উপাদান জমা হয়। এর জেরে শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। শিশুটির ফুসফুস পরিষ্কার করায় এখন সে সুস্থ ভাবে নিশ্বাস নিতে পারছে।

ধেনকানাল জেলার মেয়েটি এই বছরের জুন মাসে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে কোভিড সংক্রামিত হয়েছিল। পরে অবশ্য সে সুস্থ হয়ে উঠেছিল। জুলাই মাসে তার শ্বাসকষ্টের সাথে জ্বর হয়, যার পরে তাকে কটক এবং ভুবনেশ্বরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যদিও, সন্তানের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায়, অবশেষে তাকে এইমস ভুবনেশ্বরের শিশু বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয় এবং পরে হাসপাতালের শিশুদের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

শিশুটির চিকিত্সার জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞ দলে ছিলেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ কৃষ্ণ মোহন গুল্লা, ডঃ রশ্মি রঞ্জন দাস, ডঃ অমিত কুমার সতপতি, পেডিয়াট্রিক সার্জন ডঃ মনোজ মোহান্তি এবং তাঁর দল, অ্যানাস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ ডঃ সত্যজিৎ মিশ্র, ডঃ বিক্রম কিশোর বেহেরা এবং কার্ডিও-থোরাসিক সার্জন ডঃ সিদ্ধার্থ কুমার সাথিয়া এবং ডঃ সত্যপ্রিয় মোহান্তি।

ভূবনেশ্বর এইমসের ডিরেক্টর ডঃ গীতাঞ্জলি ব্যাটমানবেন বলেন, 'এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া একমাত্র সহজ বিকল্প হল স্যালাইন দিয়ে উভয় ফুসফুস ধোয়া। তবে এই ধরনের অসুস্থ শিশুর ক্ষেত্রে এই কাজ করা টেকনিক্যালি চ্যালেঞ্জিং। সুতরাং, ডাক্তারদের একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছিল এবং শিশুটিকে ইসিএমও-তে রাখা হয়েছিল। সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তার এবং নার্সিং অফিসারদের সহযোগিতায় ডাক্তাররা ফুসফুস পরিষ্কারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলেন। এর ফলে শিশুটিক শারীরিক অবস্থা ভালো হয়ে উঠেছে। শনিবার তাকে হাসাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।'

বন্ধ করুন