INDIA : আজ থেকে শুরু হল লকডাউন ২.০। ৩ মে অবধি চলবে লকডাউন। তবে ২০ এপ্রিলের পর যে সব স্থানে করোনার প্রকোপ কম, সেখানে খুলে যাবে বেশ কিছু অফিস-কাছারি, কলকারখানা। কিন্তু কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারগুলির চিন্তা বাড়িয়ে ফের চওড়া হল করোনার কার্ভ। লকডাউনের মূল টার্গেট হল টু ফ্ল্যাটেন দ্য কার্ভ। অর্থাত্ করোনা আক্রান্তের হার যেন ধীরে ধীরে কমে। দুইদিনের পর ফের মঙ্গলবার বৃদ্ধি পেল সেই হারের।

এই মুহূর্তে দেশের মধ্যে সবচেয়ে সঙ্গীন পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রে। আক্রান্ত ২৬৮৭, মারা গিয়েছে ১৭৮ জন। তারমধ্যে রবিবার যেভাবে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি যাওয়ার আর্জি জানিয়ে মুম্বইয়ের বান্দ্রা স্টেশনে ভিড় করেছিলেন, তা চিন্তায় ফেলেছে প্রশাসনকে। এটা লকডাউন, লক আপ নয় বলে, সবাইকে আশ্বস্ত করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।

দেশে মোট আক্রান্ত ১১৪৩৯
দেশে মোট আক্রান্ত ১১৪৩৯

আপাতত প্রতি সাতদিনে দেশে দ্বিগুণ হচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কয়েকদিন আগেও যদিও চার দিনে সংখ্যাটি দ্বিগুণ হচ্ছিল। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া রাজ্যওয়াড়ি হিসাব অনুযায়ী, সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে মহারাষ্ট্র। সংক্রমণ অপেক্ষাকৃত কম হলেও মৃত্যুর সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে মধ্যপ্রদেশ যা নিশ্চিত ভাবে চিন্তায় রাখবে শিবরাজ সিং চৌহানকে। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রের পর সবচেয়ে সংক্রমণের পর খবর পাওয়া গিয়েছে দিল্লি, তামিলনাড়ু ও রাজস্থানে। সংক্রমণের নিরিখে এই মুহূর্তে ১৩তম স্থানে বাংলা।

কোথায় কেমন করোনার প্রভাব
কোথায় কেমন করোনার প্রভাব
আক্রান্তের শীর্ষৈ মহারাষ্ট্র
আক্রান্তের শীর্ষৈ মহারাষ্ট্র

আগামী কয়েকদিনে কেরালার মতো অন্য রাজ্যগুলি নিজেদের কার্ভ ফ্ল্যাটেন করতে পারে কিনা, করোনার বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কিনা, তার ওপরেই নির্ভরশীল লকডাউনের ভবিষ্যত।

বন্ধ করুন