বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ১২ তলা থেকে ঝাঁপ ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের, অতিরিক্ত চাপের কারণেই কি আত্মহত্যা?
আত্মহত্যা (প্রতীকি ছবি)
আত্মহত্যা (প্রতীকি ছবি)

১২ তলা থেকে ঝাঁপ ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের, অতিরিক্ত চাপের কারণেই কি আত্মহত্যা?

তদন্তকারী আধিকারিক নরসিমা রেড্ডি জানিয়েছেন, সুইসাইড নোটটিকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

১২ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে নিজের প্রাণ বিসর্জন দিলেন হায়দরাবাদের এক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে মনে হলেও কী কারণে এই পথ বেছে নিতে বাধ্য হলেন ছাত্রটি, তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আত্মঘাতী ছাত্রটির সুইসাইড নোটে বোনেদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথাও লেখা আছে।

জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্র সি শিবানাগু হায়দরাবাদের ভিএনআর বিজ্ঞান জ্যোতি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি কলেজে পড়তেন। কলেজের কাছে ছাত্রাবাসেই থাকতেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে হোস্টেলের ১২ তলার ওপরে সে যায়। সেখান থেকেই ঝাঁপ মারে। হোস্টেলের নিরাপত্তারক্ষীরা ছাত্রটির দেহকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। জানা গিয়েছে, শিবানাগুর বাড়ি তেলেঙ্গানার নাগারকুর্নুল জেলায়। ছাত্রের সুইসাইড নোটে একদিকে যেমন মা-বাবার কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা গিয়েছে, তেমনি বোনেদের উদ্দেশ্যেও সে লিখেছে, ‘‌তোদের অনেক বকাবকি করেছি। পারলে ক্ষমা করে দিস।’‌

কিন্তু কেন আত্মহত্যা করতে গেলেন শিবা। এই বিষয়ে এখনই পুলিশের কাছে অবশ্য কিছু স্পষ্ট ধারনা আসেনি। তদন্তকারী আধিকারিক নরসিমা রেড্ডি জানিয়েছেন, সুইসাইড নোটটিকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনও সিআরপিসি ১৭৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে অটোপসি পরীক্ষার রিপোর্ট এলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও কিছুটা নিশ্চিত হওয়া যাবে। 

প্রয়োজনে বিচারের ধারা পরিবর্তন হতে পারে। এদিকে শিবানাগুর এই মৃত্যুকে ঘিরে কলেজ কর্তৃপক্ষকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন কলেজের অন্যান্য পড়ুয়া ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা কলেজের সামনে এই মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখান। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের অনেকেরই বক্তব্য, অতিরিক্ত চাপের কারণেই আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন শিবা।

বন্ধ করুন