বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‌স্ত্রীর গয়না বেচে অটোকে অ্যাম্বলেন্স, তবু পুলিশের রোষের মুখে যুবক
অটোচালক মহম্মদ জাভেদ খান (AFP)
অটোচালক মহম্মদ জাভেদ খান (AFP)

‌স্ত্রীর গয়না বেচে অটোকে অ্যাম্বলেন্স, তবু পুলিশের রোষের মুখে যুবক

  • পুলিশ এখন ওই যুবকের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

নিজের বউয়ের গয়না বেচে অটোকে মিনি অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করে ফেলেন জাভেদ খান নামে এক যুবক।করোনা রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যই তাঁর এই কাজ। কিন্তু এই কাজ সত্বেও পুলিশের রোষের মুখেই পড়তে হয়েছে ওই যুবককে।ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করাও হয়েছে।তবে এই কাজের জন্য ভোপাল পুলিশকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।সমালোচনার মুখে পড়ে পুলিশ এখন ওই যুবকের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

জানা গিয়েছে, গত শনিবার যখন মানুষকে বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলে, তখন ভোপালের চোলা থানার পুলিশ আধিকারিকরা জাভেদের পথ আটকায়।জাভেদ জানায়, সে জরুরি পরিষেবায় ব্যস্ত রয়েছেন, তাঁকে যেতে দেওয়া হোক। কিন্তু পুলিশ আধিকারিকরা তাঁর কথা শোনেননি।জাভেদ জানান,‘‌করোনা রোগীদের সাহায্যের জন্য সে তাঁর অটোকে মিনি অ্যাম্বুলেন্স বানিয়েছিল।অ্যাম্বলেন্সের মধ্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখারও ব্যবস্থা হয়েছে।কিন্তু পুলিশরা আমার কোনও কথাই শোনেননি।উল্টে আমাকে ভর্ৎসনা করে।পুলিশ আধিকারিকরা আমার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় মামলা দায়ের করে।’‌

এই ঘটনার পর প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে ভোপাল পুলিশ।দক্ষিণ ভোপাল জেলার পুলিশ সুপার বিজয় ক্ষেত্রী জানান,‘‌ভোপালে পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।যেকোনও যানবাহনের গতিবিধির ওপরই নিষেধাজ্ঞা জারি করা আছে।পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিল। কিন্তু কী কারণে সে বেড়িয়েছে, সেকথা সে বলতে চায়নি।সে তখন ব্যারিকেড সরিয়ে যেতে নিচ্ছিল।সেইকারণেই পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।পরে অবশ্য তাঁর বাইরে বেড়োনোর কারণ জানতে পারি।যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে।’‌

বন্ধ করুন