ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ এই ছবিটি দিয়েছে (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ এই ছবিটি দিয়েছে (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

শাহিনবাগের অভিযুক্ত যুবক AAP সদস্য, দাবি পুলিশের, BJP-র চক্রান্ত, পালটা কেজরির

  • আপের দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নির্দেশেই তাদের নামে অপবাদ দিচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

শাহিনবাগের গুলি চালানোয় অভিযুক্ত কি আপের সদস্য? এনিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে পুরো বিষয়টি চক্রান্ত ও বিজেপির স্টান্ট বলে দাবি করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

আরও পড়ুন : Delhi Assembly Election ওপিনিয়ন পোল- AAP vs BJP পাল্লা ভারি কার?

মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশ দাবি করে, যিনি শাহিনবাগে গুলি চালিয়েছিলেন, সেই কপিল গুজ্জর বছরখানেক বাবার সঙ্গে আপে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের যোগদানের সময় দলের একাধিক প্রথম সারির নেতাও উপস্থিত ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগদানের একাধিক ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দিল্লি বিধানসভা ভোটের কয়েকদিন আগে চরম অস্বস্তিতে পড়ে আপ। সুযোগ পেয়ে ময়দানে নামে বিজেপি। যদিও আপের দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (তাঁর অধীনে দিল্লি পুলিশ) নির্দেশেই কেজরিওয়ালের দলের নামে অপবাদ দিচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগদানের যে ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে আপের রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় সিংকেও দেখা গিয়েছে। যদিও ছবিটির সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস। সঞ্জয় অবশ্য খোলসা করেননি, কপিল আপের সদস্য কিনা। তিনি বলেন, 'রোজ শয়ে শয়ে মানুষ আপে যোগ দেন। আপে কপিল ও তাঁর বাবার অবস্থান কী, তা আগে খুঁজে বের করতে হবে।'

কপিলের পরিবারও অবশ্য দাবি করেছে, বছর তেইশের যুবক আপের সদস্য নন। রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই।

আরও পড়ুন : শাহিন বাগ বিক্ষোভের ফলে দিল্লি ভোটে লাভ হবে বিজেপির, ইঙ্গিত দলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায়

সঞ্জয়ের অভিযোগ, ভোটের আগে নোংরা খেলায় মেতেছে বিজেপি। তিনি বলেন, 'নির্বাচনের মাত্র তিন-চারদিন বাকি আছে। ওরা (বিজেপি) আরও এরকম ছবি, ভিডিয়ো প্রকাশ করবে। আমরা দেথতে চাই, ওরা আর কত চক্রান্ত করে। যথন আদর্শ আচরণবিধি লাগু আছে, তখন এরকম করা হচ্ছে দেখে আমি বিস্মিত।'

একই কথা বলেন কেজরিওয়াল। সংবাদসংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, 'বিজেপির কিছু নেই। দিল্লিতে আপ সরকার যে কাজ করেছে, তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার কোনও সুযোগ নেই বিজেপির। সব দলগুলি আমায় হারাতে এসেছে।তাই শেষে দিল্লি পুলিশকে ব্যবহার করা শুরু করেছে। '

কেজরিওয়াল আরও বলেন, 'আপের সঙ্গে কপিলের কোনও যোগ নেই। তাঁকে অবশ্যই কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত। যদি অপরাধের শাস্তি হয় দু'বছরের জেল, তাহলে তাঁকে চার বছরের জন্য জেলে পাঠানো হোক।'

অন্যদিকে সঞ্জয় জানান, দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (অপরাধ) রাজেশ দেওয়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করবে পুলিশ।

আরও পড়ুন : হনুমান চালিশা পাঠ করলেন কেজরিওয়াল, স্কুলে দেশভক্তির পাঠ দেবে আপ


বন্ধ করুন