বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Adhir Chowdhury's Rashtrapatni Remarks: দ্রৌপদীকে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বলে ক্ষোভের মুখে অধীর, বললেন ‘এবার আমার ফাঁসি হবে?’
অধীর চৌধুরী। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

Adhir Chowdhury's Rashtrapatni Remarks: দ্রৌপদীকে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বলে ক্ষোভের মুখে অধীর, বললেন ‘এবার আমার ফাঁসি হবে?’

  • Adhir Chowdhury's Rashtrapatni Remarks: রাষ্ট্রপতিকে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বলে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়লেন অধীর চৌধুরী। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি নিয়ে ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করলেও পরে লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা জানান, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে ক্ষমা চাইবেন।

রাষ্ট্রপতিকে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বলে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়লেন অধীর চৌধুরী। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি নিয়ে ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করলেও পরে লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা জানান, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে ক্ষমা চাইবেন। ভুলবশত একবার ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বলে ফেলেছেন। সেইসঙ্গে প্রশ্ন করেন, ‘এবার কি আমায় ফাঁসিতে ঝোলানো হবে?’

কী হয়েছিল বিষয়টি?

বৃহস্পতিবার সকালে বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বলেছেন অধীর। কংগ্রেস নেতা অধীর একজন মহিলার প্রতি বৈষম্যমূলক মন্তব্য তো করেছেন, সেইসঙ্গে এক আদিবাসী মহিলাকে অপমান করেছেন। যিনি সংগ্রাম করে ওড়িশার একটি ছোট্ট গ্রাম থেকে দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি সাংসদ, মন্ত্রীরা। অধীরের পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধীকেও ক্ষমা চাইতে বলে দাবি জানাতে থাকে বিজেপি।

আরও পড়ুন: Who is Droupadi Murmu: দ্রৌপদী মুর্মু মানেই ইতিহাস রচনা! ভারতের নয়া রাষ্ট্রপতি কে আসলে?

যদিও প্রাথমিকভাবে ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেন অধীর। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বহরমপুরের সাংসদ বলেন,'কার কাছে আমি ক্ষমা চাইব? বিজেপির কাছে? বিজেপির কাছে কেন ক্ষমা চাইব? বিজেপি কে? মুখ ফসকে ওটা বেরিয়ে গিয়েছিল। গতকালই আমি সেটা বলেছিলাম। গতকাল আমি অনেক সংবাদমাধ্যমের কর্মীর সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু একটা সংবাদমাধ্যমই সেটা করেছে।' সেইসঙ্গে অধীর দাবি করেন, প্রথমে রাষ্ট্রপতিই বলেছিলেন। পরে একেবারেই অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বলেছেন। বিষয়টি স্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য ওই সাংবাদিককে খুঁজে পাননি বলে দাবি করেছেন কংগ্রেস সাংসদ।

আরও পড়ুন: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্য নিয়ে ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির, ক্ষমা চাইতে নারাজ অধীর

অধীর বলেন, 'আমরা জানি যে ব্রাহ্মণ হোক বা মুসলিম হোক বা আদিবাসী হোক - ভারতের রাষ্ট্রপতি আমাদের সকলের কাছে সাংবিধানিক প্রধান।' পুরো বিষয়টি নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে হল্লা করছে। সেইসঙ্গে অধীর দাবি করেন, 'রাষ্ট্রপতিকে অপমান করার বিষয়টি ভাবতেও পারি না। ওটা নেহাত একটি ভুল ছিল। যদি রাষ্ট্রপতির খারাপ লাগে, আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করব এবং ক্ষমা চাইব। ওরা যদি চায়, তাহলে আমায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিতে পারি। আমি শাস্তি পেতে তৈরি। কিন্তু কেন তাঁকে (সোনিয়া) এখানে টেনে আনা হচ্ছে? '

বন্ধ করুন